জাফর ইকবাল ও হেইট ক্রাইম
সারা দুনিয়ায় ঘৃণা থেকে জন্ম নেওয়া অপরাধ বা হেইট ক্রাইম কি বেড়ে যাচ্ছে? যারা নিজেদের উন্নত জাতি হিসেবে দাবি করেন সেই সব দেশেও চলছে এই অপরাধ। ইতিহাস থেকে জানা যায়...
আরও পড়ুনDetailsলেখক, উন্নয়কর্মী ও কলামিস্ট
সারা দুনিয়ায় ঘৃণা থেকে জন্ম নেওয়া অপরাধ বা হেইট ক্রাইম কি বেড়ে যাচ্ছে? যারা নিজেদের উন্নত জাতি হিসেবে দাবি করেন সেই সব দেশেও চলছে এই অপরাধ। ইতিহাস থেকে জানা যায়...
আরও পড়ুনDetailsকালিকা পুরণের সন্ধ্যাকে নিয়েই কামদেবের সৃষ্টি। কামদেবের সৃষ্টির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ষড়রিপুর ঊর্ধ্বে থাকা মহাদেবের মনে কামভাব জাগ্রত করা, কেননা ভবিষ্যতে সতীর সাথে শিবের বিয়ে দেয়ার দরকার হবে। কামদেব...
আরও পড়ুনDetails‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না’ বলে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০১৭ রোববার...
আরও পড়ুনDetailsবাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের চাষযোগ্য জমি ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর।যেখানে বাংলাদেশের মোট ভূমিরপরিমাণ তিন কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার একর সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের সুত্রে জানা যায়,। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছেযে, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ মানুষ বাড়ছে। প্রতি বছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ৮,৭০০ (আট হাজার সাত শত)হেক্টর জমি। নির্মাণ কাজের কারণে প্রতি বছর বিলীন হচ্ছে ৩,০০০ (তিন হাজার) হেক্টর জমি।গত ৩৭ বছরে শুধুঘরবাড়ি নির্মিত হয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার একর জমিতে। পরিবেশ অধিদফতরের তথ্য মতে দেশে মোট ইট ভাঁটার সংখ্যা ৪ হাজার ৫১০ উল্লেখ থাকলেও বাংলাদেশে ইট প্রস্তুতকারীমালিক সমিতির হিসেবে ইট ভাটার সংখ্যা ৬ হাজারের অধিক। মৃত্তিকা গবেষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে প্রায় ৫০হাজার একর আবাদি জমি এই ইট ভাটাগুলোর দখলে রয়েছে। প্রতিটি ইট ভাঁটায় বছরে গড়ে ৭৫ হাজার করে ইট প্রস্তুতহলে এবং ইট প্রতি গড়ে সাড়ে তিন কেজি করে মাটি ধরলে এতে প্রায় ১৫ কোটি মেট্রিক টন মাটি লাগে। এর ফলে প্রায়১৩,৫০০(সাড়ে তেরো হাজার) হেক্টর জমির ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। উন্নয়নের ধাক্কায় শামিল হতে বাড়ছে রাস্তাঘাট, ব্রীজ,কালভার্ট, দালান কোঠা। সে সব ক্ষেত্রেও শাবল বাকোদাল চালানো হচ্ছে কৃষি জমির ওপর। গত পাঁচবছরেও আলোর মুখ দেখেনি ‘জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতি২০১০’ এবং কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি জোনিং আইন–২০১০। তাহলে নিকট ভবিষ্যতে কী হবে আমাদের! একটুহিসেব করে দেখা যাক। উপরের হিসেব মতো বাংলাদেশে চাষযোগ্য জমিরপরিমাণ ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর হলে তা হবে আনুমানিক ১,৯৮,৪২,৫৬২ একর বা ৫,৯৫,২৭,৬৮৬ বিঘা বা১,১৯,০৫,৫৩,৭২৮ কাঠা। আবার প্রতিবছর বাড়ি ঘর তৈরির জন্য ৩,০০০ হেক্টর আর ইট-ভাটার কারণেআবাদযোগ্য জমি নষ্ট হয় ১৩৫০০ হাজার হেক্টর জমি। তাহলে দেখা যাচ্ছে ১৬,৫০০ হেক্টর জমি প্রতিবছর অনাবাদীহয়ে যাচ্ছে। এর সাথে আছে প্রতিবছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৮,৭০০ হেক্টর বা ২১,৪৯৮ একর জমি নদীর্ গর্ভে বিলীনহওয়া৷ কিছু হিসেবের ফ্যাকড়া বাদ দিলে, কম করে হলওে প্রতি বছর ২৫,২০০ হেক্টর একর জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছেআবাদী জমি থেকে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রতি বছর ১% হারে আবাদী জমি হারাচ্ছি আমরা। হয়তো সেখানে ইট ভাটার জমিতে কিছুপুকুর তৈরী হয়ে মাছ চাষ হচ্ছে। কিছু চরের জমিও ভাঙ্গছে নদীতে। যার অর্থ দাঁড়ায় দেশের র্বতমান উন্নয়ন অব্যাহতথাকলে শিল্প কারখানা, নদী ভাঙ্গন আর বসবাসের জন্য বাড়ি ঘর তৈরী করতে আবাদযোগ্য কৃষি জমি ব্যবহারে এই হারআরো বাড়বে। না বাড়লেও আগামী (১,৯৮,৪২,৫৬২ ভাগ ৫৯,১৯৮) ৩১৮ বছর পরে আর কোন আবাদযোগ্য জমিআমাদের দেশে থাকার কথা না। আর আবাদযোগ্য জমি হারানোর হার বছরে ১% ধরলে ১০০ বছর পরে বাংলাদেশে আরকোন আবাদযোগ্য জমি থাকাবে না। থাকবে চর এলাকার জমি, যেটা সব ধরণের ফসলের উপযোগী না। কিছু নদীতে বাসমুদ্রতটে চর জাগবে, সেগুলো কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আবাদযোগ্য হবে না। এমন হলে আমরা কী করবো? আবাদযোগ্য জমি কীভাবে রক্ষা করবো আমরা! আমরা যারা বিষয়টি নিয়ে ভাবি তারাঅনেকদিন থেকেই বলে আসছি যে, মাটি তৈরী হতে সময় লাগে কয়েক হাজার বছর। সেই মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরী শুধুমাটিই নষ্ট করে না, পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে। ঢাকা শহরের পাশের ইট ভাটাগুলো ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণেরঅন্যতম প্রধান কারণ। তার সাথে আছে নগরীর উপকণ্ঠে বা দেশ জুড়ে তৈরী হওয়া অপরিকল্পিত শিল্প কারখানা থেকেবর্জ্য নির্গমণ এবং অহেতুক বেশি বড় জায়গায় বাড়ি তৈরী করার বিলাসী মানসকিতা। সদ্য স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধু এই অনাগত সমস্যার কথা আঁচ করতে পেরেছিলেন। তাই তিনি বলেছিলেন গ্রামীণ শহর তৈরীকরতে। তিনি তাঁর এমপিদের মধ্য থেকে এ্যাডভোকেট রহমত আলীসহ একটা দলকে ইউরোপে পাঠিয়েছিলেন অভিজ্ঞতানিয়ে আসতে, তারা কীভাবে গ্রামীণ শহর তৈরী করে আবাদযোগ্য জমি রক্ষা করে।এ্যাডভোকেট রহমত আলীর দল ফিরেএসে যে রিপোর্ট দেন, তাতে যা বলা হয় সেটা অনেকটা এরকম- প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি গোষ্ঠীর জন্য আলাদা আলাদা বিশাল বড় বাড়ি তৈরী করা হবে, যাকে আমরা আধুনিক শহরেকন্ডোমিনিয়াম (এক্সটেনশন) টাইপের ভবন বলে থাকি। যেখানে তাঁদের গোষ্ঠীর মানুষ বংশ পরম্পরায় থাকবেন,প্রয়োজনে কন্ডোমিনিয়ামের এক্সটনেশন করবেন। বাসা হবে অনেক খোলামেলা। কারণ মাত্র কয়েকটা বড় বাড়িতেই ঢুকেযাবে একটা বড় গ্রাম পুরোটাই। থাকবে বিনোদনের সব সুবিধা সেনিটেশনসহ বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি।স্থানীয় সরকারপ্রতিনিধিদের জন্য এসব পরিসেবা দেওয়াও সহজ হবে। আবাদযোগ্য জমি বাঁচবে, বাঁচবে দেশ। এবার আসি বর্তমান জনবহুল বাংলাদেশে। শিল্পপ্রতিষ্ঠা, মাটির ইট পোড়ানো আর নদী ভাঙ্গনেচলে যাচ্ছে আমাদের দেশের বিরাট অংশেরআবাদযোগ্য জমি। বঙ্গবন্ধু কন্যা ভাবলেন কীকরা যায়। তাই তিনি নতুন শিল্পাঞ্চলেরধারণায় বিশ্বব্যাংক আর জাইকার সহায়তায়স্পেশাল ইকোনমিক জোন (এসইজডে) এরধারণা দিলেন। প্রায় ১০০ টারও বেশীএসইজডেএর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে সারাদেশের চরাঞ্চলে, আবাদযোগ্য জমি যেন নষ্ট নাহয় সেটা ভেবে। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, ইটপোড়ানো বন্ধ করা। জাইকার সহায়তায় সরকার বালি আর পলিমাটি দিয়ে আগুন ছাড়াই ইট তৈরী করার গবেষণা কাজহাতে নিয়েছে, যা এক বা দুই বছর পরেই সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে। পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তি ইউরোপে আছে অনেকদিন থেকেই, তাই সেখানে মাটির ইট পড়ানো নিষিদ্ধ। চীন, জাপানেও এইপ্রযুক্তির ব্যবহার চালু আছে। সরকারের হাউজ বিল্ডিং গবেষণা ইন্সটিটিউট (এইচবিআরআই) জাইকার সহায়তায় এটানিয়ে কাজ করেছে, করবে। বালি আর পলিমাটি দিয়ে তৈরী এই ইটের খরচ পড়বে মাটির ইটের চেয়ে কম, কিন্তু বেশিটেকসই, উন্নত হবে। এই ইট শুধু শহরে না, গ্রামীণ শহর তৈরীতেও ব্যবহার করা হবে মাটির ইটের ১০০% বিকল্পহিসেবে। এটা সহজলভ্য হবে খুব দ্রুত, কারণ এ ধরণের ইটের কারখানাগুলো তৈরী হবে নদীর তীরবর্তী এলাকায় সারাদেশজুড়ে। তাহলে নদী ভাঙ্গন কীভাবে কমবে? আগুন ছাড়াই ইট তৈরী করার জন্য বালি আর পলিমাটি সংগ্রহে ইটের কারখানাগুলোসরকারের লোকের তদারকীতে নদী ড্রেসিং করবে। ফলে নদীর নাব্যতাও বৃদ্ধি পাবে, অনেক এলাকায় নদী ভাঙ্গনঅনেকটা কমবে বলে অনুমান করা অন্যায় হবে না। যে সব এলাকায় ইটের কারখানা থাকবে না, সেখানে সরকারীউদ্যোগে ড্রেজিং হবে। ফলে এই বালি আর সমস্যা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে। ইউরোপে এই ইটের রপ্তানী সুযোগ অনেকবেশী। এটা হবে আরেকটি গার্মেন্টস শিল্পের মত। এর বাইরেও আরেকটি কাজ করা লাগবেকৃষি জমিতে নিবিড় চাষ পদ্ধতি চালু করা।সেটা হবে উপরের কাজগুলো করার পর।হয়তো আর মাত্র ৫০ বছর পরেই আমাদেরদেশে এটা চালু হবে বা হতে হবে। কীভাবেতাঁর বিস্তারিত না বলে বিদেশে কিছুপরীক্ষার নমুনা এখানে তুলে ধরার চেষ্টাকরছি। মনে করুন আপনার জমি আছে মাত্র ৩বিঘা। আপনি কৃষিকে শিল্পের আদলে নিয়েযেতে চান। টাকা আছে আপনার অনেক। কিন্তু জমি নেই নিজের। সংশ্লিষ্ট এলাকায় কেউ জমি বেঁচবে না। আমাদেরপাশের কোন কোন দেশেই এমন গবেষণায় অনেক সাফল্য এসেছে। মনে করি জমি ৩ বিঘা বা ৪৩,২০০ র্বগফুট। সেখানেতার উপর বহূতল ভবন তৈরী করা। প্রতি ফ্লোরের ওয়াল থাকে কাঁচের বিশেষ কাগজ লাগানো যা দিয়ে তাপ সুপরিবাহীবা কুপরিবাহী করা যায়। কাঁচগুলো হয় আমাদের গাড়ীর জানালা বা সামনের গ্লাসের মতো কেউ আঘাত দিলেও টুকরাটুকরা হয় না। ফ্লোরের মাটি পরিশুদ্ধ করে সেখানে প্রয়োজনীয় অর্গানিক সার দিয়ে অর্গানিক সব ধরনের ফসল ফলানোযায়। ইচ্ছা করলে কৃত্তিম মাটি ব্যবহার করে হাইব্রিড নানা ফসল ফলানো যায়। সেখানে থাকে না রোগ বালাইয়ের ভয়,না থাকে উৎপাদন ঘাটতি। কৃষিতে আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো গবেষণা আর এক্সটেনশনের মাঝেবিরাট ফারাক। গবেষণায় কোন ফসলের যে ফলন দেখানো হয় মাঠে কৃষকরা তা পান না যথাপোযুক্ত ফার্মম্যানেজমেন্টের অভাবে। তাই এই পদ্ধতির চাষে এই ফারাক থাকবে না, বরং কোন কোন ক্ষেত্রে ফলন বেশি হতে পারে।এর দেখা দেখি গ্রামের কিছু বংশের লোক এই নিবিড় কৃষিতে এগিয়ে আসবেন আস্তে আস্তে যখন তাঁদের আর্থিক স্বচ্ছলতাবাড়বে বা সমবায় পদ্ধতিতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেবেন। আমাদের জীবন এখন বেলা শেষের গান শুনছে। তবুও চুপ থাকতে পারি না। ভাবছি আমাদের নাতি-পুতিদের জন্য।তাদের জন্য নিরাপদ আবাসের সুযোগ না করে দিয়ে গেলে, ওরা একদিন আমাদের কবরের উপর লাঠির বাড়ি দিয়ে ঘৃণাপ্রকাশ করলেও করতে পারে। (এ বিভাগে...
আরও পড়ুনDetailsধর্মীয় বিশ্বাস, রক্তের উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া বিশ্বাস, রাজনৈতিক বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক বিশ্বাস, বিজ্ঞানের বিশ্বাস, ইত্যাদি নানা ধরনের বিশ্বাস নিয়ে আমাদের এই দুনিয়ায় বসবাস। কোন সমাজে শিক্ষা বা জ্ঞানের আলো যখন কম,...
আরও পড়ুনDetailsসুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মারা গেছেন। নানা ব্যস্ততায় তাঁর অসুস্থতার খবর ঠিক মত পায়নি আমি। মৃত্যুর আগেরদিন রাতে দেখলাম উনি অসুস্থ হয়ে হাস্পাতালে ভর্তি। ভাবলাম, ঠিক হয়ে যাবেন, বয়স তো আর খুউব...
আরও পড়ুনDetailsঅনেকেই বলে যেখানে সমস্যা সেখানেই সম্ভাবনা। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো নদী ভাঙ্গনও আমাদের দেশের জন্য একটি দুর্যোগ৷ এ দেশের বড় বড় নদীগুলোতে ভাঙ্গন এখন স্বাভাবিক ঘটনা, নদীভাঙ্গন এমন এক ধরনের দুর্যোগ...
আরও পড়ুনDetailsযশোরে থানার মধ্যে এক যুবককে বিচিত্র কায়দায় পিছমোড়া করে উল্টো ঝুলিয়ে রেখে টাকা আদায় করে ছেড়ে দেওয়ার খবরে দুই পুলিশ সদস্যকে তলবের পাশাপাশি রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। ওই ঘটনায় যশোর...
আরও পড়ুনDetailsকুয়াশা কেটে গিয়ে যেমন আলো ফুটে ওঠে ঠিক তেমনি ধোঁয়াশা কেটে কি সত্য প্রকাশ পাচ্ছে? লক্ষ মানুষের বিমূর্ত শঙ্কার জায়গাটা আবার যেন মূর্ত হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে নতুন...
আরও পড়ুনDetailsমানুষের জীবন একটা পিরামিডের মতো। আমাদের জন্ম যখন হয় তখন আমরা (শৈশবে) থাকি পিরামিডের নীচের অংশে। শৈশবে আমাদের অধিক্ষেত্রের সব কিছু থাকা চাই নিজেদের দখলে। মানে আমাদের জীবনের আঙ্গিনায় যা থাকে...
আরও পড়ুনDetailsনিজের জন্মস্থান বা নিজের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি বিজড়িত স্থান মানুষের হৃদয়কে টানে। আমরা যারা গ্রামে জন্ম নিয়ে জীবন জীবিকার জন্য ঢাকা বা অন্য কোনো শহরে এসে স্থিতু হয়েছি নানা কারণে, তারা...
আরও পড়ুনDetailsবাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ‘এক্সিট ওয়ে’ এখন নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন আর রাষ্ট্রপতির সাথে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপ সংলাপ খেলা। যা না করলে মুখ রক্ষা করে বিএনপি কোনোভাবেই নির্বাচনে যাবার...
আরও পড়ুনDetailsরাজাকার পলাতক ইদ্রিস আলী সরদার ওরফে গাজী ইদ্রিসকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শরীয়তপুরের পালং উপজেলার রাজাকার বাহিনী ও শান্তি কমিটির নেতা ইদ্রিসের বিরুদ্ধে শরীয়তপুর-মাদারীপুরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ,...
আরও পড়ুনDetailsসেটা ১৯৯৬ সাল, তারিখ মনে করতে পারছি না তবে সেটা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঠিক পরের ঘটনা। ছিলো ছুটির দিনের সকাল। কোথায় কার কাছে যাওয়া যায় ভাবছি। হঠাৎ করেই বাসায় এসে হাজির...
আরও পড়ুনDetailsসব জল্পনা কল্পনা, জরিপ মিথ্যা প্রমাণ করে হিলারি হেরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০১৬তে। বাংলাদেশেও এবার এই নির্বাচনে অনেক মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। বাংলাদেশের...
আরও পড়ুনDetailsবাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই আমেরিকা বাংলাদেশ তথা আওয়ামী লীগ বিরোধী, এটা সবার জানা থাকার কথা। স্বাধীনতার পরেই আমেরিকা বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও তদানীন্তন মার্কিন সরকার বঙ্গবন্ধু সরকারকে উৎখাতের নানা...
আরও পড়ুনDetailsসরকার প্রাথমিক পর্যায়ে সারাদেশে পঞ্চাশ লাখ দরিদ্র পরিবারকে চাল দিচ্ছে ১০ টাকা কেজি দরে। কারণ এরা আমাদের দেশের হতদরিদ্র শ্রেণীর মানুষ। এটা খুব ভালো উদ্যোগ যার সমালোচনা কেউ করে নি।...
আরও পড়ুনDetailsবিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচিত নয় বলে সংসদের বিরোধী দলকে গুরুত্ব দেননি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গুরুত্ব দিয়েছেন।...
আরও পড়ুনDetailsসৈয়দ শামসুল হক কতটা রাজনীতি করতেন তা জানি না; কিন্তু তিনি ছিলেন সব্যসাচীর মত জ্ঞানী। মানে দুহাত সমানভাবে ব্যবহারে পারদর্শী, অপূর্ব কুশলী বাংলার গণমানুষের পক্ষে ছিলেন সারা জীবন। বাংলাদেশের গণমানুষের...
আরও পড়ুনDetailsকোন কাজটা এখন জরুরী? এমন প্রশ্নের জবাবে নানা জনে নানান কথা বলছেন, বলেন। যা মানুষের বয়স, পেশা, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাস, লোভ, হতাশা কিংবা উচ্চাভিলাষ পূরণের লক্ষ্যেও জরুরী নির্ধারণ হয়ে...
আরও পড়ুনDetailsপ্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com
ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)