ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পাবেন, আশা করেছিলেন শেহবাজ শরিফ

ছবি:সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তবে শেষ পর্যন্ত এ পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারপতি ও মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই। পুরস্কার পাওয়ার পর ট্রাম্পকে নিয়ে রসিকতা করে আলোচনায় এসেছেন নাভি পিল্লাই।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের নোবেল কমিটি ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করেন। শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিবের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে করতালির জবাবে নাভি পিল্লাইকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা যদি আরেকটু বেশি করতালি দেন, তবে আমি হয়তো এই পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নেব!’
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেহবাজ শরিফ লেখেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্প ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছেন এবং তার হস্তক্ষেপে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের কিনারা থেকে ফিরে এসে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তাই তিনি আশা করেছিলেন, ট্রাম্প এবার সেটির স্বীকৃতি পাবেন।
তবে ভারতের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এমন মধ্যস্থতার দাবি শুরু থেকেই নাকচ করা হয়েছে। নয়াদিল্লির ভাষ্যমতে, ২০২৫ সালের মে মাসে কাশ্মীরে সংঘাতের পর পাকিস্তানের সরাসরি অনুরোধেই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল; এতে কোনো তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল না।
নোবেল না পাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তার নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনা এবার কম হলেও পরোক্ষভাবে তিনি এটি আগেই পেয়ে গেছেন। ২০২৫ সালের নোবেলজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো গত জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে নিজের পদকটি উপহার দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের দাবি, ওই বিজয়ী জানিয়েছিলেন ট্রাম্পের চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই। তবে নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নোবেল পুরস্কার কখনো অন্য কাউকে হস্তান্তর বা ভাগাভাগি করার সুযোগ নেই।






