৩৩ বল খেলে শূন্য, ক্যান্সার জয় করে ফেরাটা ‘ধূসর রেকর্ডে’ হল ম্যাডিনসনের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে অপেক্ষা করতে হয়েছে আট বছর। ক্যান্সার জয় করে ফিরেছেনও। তবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকল নিক ম্যাডিনসনের জন্য ধূসর রেকর্ডে। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ডারবান টেস্টে ওপেনিংয়ে নেমে ৩৩ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার। তার এমন প্রত্যাবর্তনের দিনে প্রথম ইনিংসে চাপে থেকেই প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি খেলার পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যায়নি ম্যাডিনসনকে। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট দিয়ে ফিরেছেন। টেস্টে ওপেনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ বল খেলে শূন্য রানে আউট হওয়ার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে গেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনারদের মধ্যে বলের হিসাবে এটিই সর্বোচ্চ বলে রানের খাতা খুলতে না পারার ঘটনা।
টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। ১০.২ ওভারে ২৪ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় সফরকারীরা। উইয়ান মুল্ডারের বলে ৯ রান করে ফেরেন ট্রাভিস হেড। এরপর ৩৩ বল খেলে কোনো রান না করেই মার্কো জানসেনের বলে বোল্ড হন ম্যাডিনসন।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ। তৃতীয় উইকেটে ৯৬ বলে ৬০ রান যোগ করেন তারা। ৩৭ রান করা লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন মুল্ডার। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি এই ব্যাটার। পরের ওভারেই স্মিথকে ২৫ রানে ফেরান জানসেন।
তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে ২৬.৩ ওভারে ৮৪ রানে চার উইকেটে পরিণত হয় অস্ট্রেলিয়া। এরপর অ্যালেক্স ক্যারি ও ম্যাট রেনশ পঞ্চম উইকেটে ৩৬ রান যোগ করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এনরিখ নর্তজের জোড়া আঘাতে আবারও বিপাকে পড়ে অজিরা। ক্যারিকে ১৪ রানে ফেরানোর পর আউট করেন বিউ ওয়েবস্টারকে।
এরপর সপ্তম উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও রেনশ। দুজন মিলে ১৪০ বলে যোগ করেন ৬৩ রান। তাদের ব্যাটে ভর করে ধাক্কা সামলে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করে সফরকারীরা।
আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয় প্রথম দিনের খেলা। ৬৫.২ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৭ রান। রেনশ ৪৪ এবং কামিন্স ৩৩ রানে অপরাজিত আছেন।





