‘অন্যায়কারীদের দলীয় পরিচয় নেই, অপরাধে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না’

ফাইল ফটো
সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় জড়িত বাকি হামলাকারী ও মূল পরিকল্পনাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, অন্যায়কারীদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই, অপরাধে জড়িত কেউই ছাড় পাবে না।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
আমিনুল হক জানান, প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুট হওয়া মালামালও জব্দ করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনা নিয়ে কেউ যেন অপপ্রচার চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মিরপুরের ১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ২০০ জন দেশীয় অস্ত্র ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশ করে একটি টিনশেড ও তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেয়।
এ সময় পাকা ভবনের আল্ট্রাসাউন্ড কক্ষ, টিকাদান কক্ষ ও পরীক্ষাগারসহ পাঁচটি কক্ষের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা আসবাবপত্র, ওষুধসামগ্রী, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফ্রিজ, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও আলমারিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যায়।
রাড্ডা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলা ও লুটপাটে পুরো স্থাপনার এক কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের পর সেখানে ‘সমমনা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি সাইনবোর্ডও লাগিয়ে দেয় হামলাকারীরা।
এ ঘটনায় শাহআলী থানায় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলার ১৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।






