চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার তানজিল জনির ‘তানজিলস ক্রিয়েশন’

Nagod
Bkash July

জমকালো ফটোশুটে মডেলদের দেখা যায় আধুনিক স্টাইলে। ফটোগ্রাফার ছাড়াও এসব শুটের নেপথ্যে কাজ করেন কেউ কেউ। তাদের দিক-নির্দেশনায় সর্বাধুনিকভাবে মডেলদের উপস্থাপন দেখে চোখ সরানো যায় না! অনেকেই মডেল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। কিন্তু জানেন না করণীয়! এসব বড় বড় শুটের নির্দেশক বা মডেলিং গ্রুমার ও ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন তানজিল জনি। যিনি ফ্যাশন ‘মডেল তৈরির কারিগর’ হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন।

বর্তমানে দুই শতাধিক তরুণ তরুণীদের মডেলিং শেখাচ্ছেন তানজিল জনি। এজন্য তিনি একটি গ্রুমিং স্কুল চালু করেছেন। নাম ‘তানজিলস ক্রিয়েশন’। গেল বছর নভেম্বর থেকে তানজিল জনির এই ফ্যাশন গ্রুমিং স্কুল চালু হয়েছে। যেখানে তিনটি ব্যাচে সপ্তাহে দুদিন করে ক্লাস নেয়া হয়। এসব ক্লাসে মডেলিংয়ের মূল বিষয়গুলো হাতে কলমে শেখান তানজিল জনি।

ভর্তির জন্য সবাইকে নয়, বেছে বেছে নতুন ছেলে মেয়ে নেন বলে জানান তানজিল জনি। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রুমিং সিজন (স্কুল) আমার। তিনমাসের কোর্স বলেই এটিকে সিজন বলছি। যারা নিষ্ঠবান, মনোযোগী, পরিশ্রমী তারা আমার গ্রুমিং স্কুলে থাকাকালীন মডেলিংয়ের বিভিন্ন শোতে অংশ নিতে পারে। লকডাউনের কারণে ক্লাস বন্ধ রাখছি। লকডাউন উঠলেই ক্লাস শুরু হয়।

গেল চার বছর ধরে গ্রুমার ও ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন তানজিল জনি। লেখাপড়া করেছেন ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে। আজরা মাহমুদের মাধ্যমেই তার এখানে পথচলা শুরু। বেশ কিছু শুটের ছবি ভাইরাল হয়েছে। অনন্ত জলিলের পৃষ্ঠপোষকতায় হিরো আলমকে ভেঙে নতুন লুকে হাজির করেছিলেন তানজিল জনি। এছাড়া সিনিয়র জুনিয়র মডেলদের নিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন। তিনি তার কাজটি বেশ তৃপ্তির কথা জানালেন।

বললেন, ২০২০ এ দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন শো ট্রেসমি ফ্যাশন উইকেও কাজ করেছি। ছয়টি দেশের বিদেশি কোরিওগ্রাফার মডেলরাও ছিল। এছাড়া ম্যাগাজিন, বিলবোর্ড ছাড়াও আরও বড় বড় কাজ করেছি। ট্রানজেন্ডারদের নিয়েও আমার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। শুরুতে অনেক পরিশ্রম, ফ্যাশন সেন্স, যোগাযোগ ক্ষমতা সবকিছুর কারণে করে আজকের এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। দেশ বিদেশে মডেলিংয়ের মঞ্চে মডেলরা হাঁটেন, সেই হাঁটা বা তাদের আচারণ শেখাই। তাই ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার বা গ্রুমারের মূল্য অনেক বেশি।

তানজিল জনি বলেন, পাঁচ বছর যাদের নিয়ে কাজ করতাম তারা প্রত্যেকেই ভালো অবস্থানে। বিভিন্ন শুটের সুযোগ দিয়ে আমি কোনো লাভবান হয়নি। বরং অনেকে স্বীকার করতে চায় না। তবে এখন আমি পেশাদারীভাবে গ্রুমিং স্কুল শুরু করেছি। এর বাইরে কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করি যারা বিশেষ করে লুক পরিবর্তন যারা করতে চায়, তারা আমাকে বেশি ডাকেন। আমি আমার কাজ নিয়ে তৃপ্ত। ধৈর্য্য নিয়ে এগিয়ে যেতে পারলে সাফল্য আসবে। আগামীতে এভাবেই কাজ করতে যেতে চাই।

BSH
Bellow Post-Green View
Bkash Cash Back