দুজনের জোড়া গোল, ৮৬ বছরের রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে শীর্ষে বার্সা

ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাস্পে ম্যাচের আট মিনিটে লিড এনে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহা। পেদ্রির পাসে গোল করেন। ২৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। ইয়ামালের বাড়ানো বল জালে জড়ান লোপেজ।
৪১ মিনিটে লোপেজের পাসে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান রাফিনহা। যোগ করা সময়ে জোয়াও ক্যানসেলোর পাসে বল জালে পাঠান ইয়ামাল। ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধে ৬৪তম মিনিটে বদলি নামা গ্যাব্রিয়েল জেসাসের পাসে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করেন ইয়ামাল।
ম্যাচের ৮১তম মিনিটে রদ্রির পাসে গোল দিয়ে ব্যবধান ৬-০ করেন গর্ডন। ৮৪তম মিনিটে মারিয়ানো দিয়াজ আলাভেসের হয়ে একটি গোল শোধ করে কেবল ব্যবধান কমিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৬-১ গোলের বিশাল জয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা।
জয়ে সেভিয়ার ৮৬ বছরের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে বার্সা। ১৯৪০/৪১ মৌসুমে সেভিয়া প্রথম ১১ ম্যাচে ৪৬ গোল করেছিল। চলতি মৌসুমে মাইলফলক ছুঁলো কাতালান ক্লাবটি। প্রথম ১১ ম্যাচে ইয়ামাল-রাফিনহারা প্রতিপক্ষ জালে ৪৬ বার বল জড়িয়েছেন। এই রেকর্ডে বার্সা এবং সেভিয়া দ্বিতীয় স্থানে আছে। ১৯৩০/৩১ মৌসুমে অ্যাটলেটিকো বিলবাও সমান ম্যাচে ৪৯ গোল করে শীর্ষে।
বার্সেলোনা ১১ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ১১ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় এবং রিয়াল মাদ্রিদ ১০ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে।






