২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ইউএস-বাংলা

ছবি: সংগৃহীত
যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা এবং গ্রাউন্ড অপারেশনের সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ১২ মিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এয়ারলাইন্সটির গ্রাউন্ড সার্ভিসে আরও ১৪৬টি নতুন সরঞ্জাম যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে এয়ারলাইন্সটির ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট রয়েছে। নতুন সরঞ্জাম যুক্ত হলে এ সংখ্যা আরও বাড়বে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ারক্রাফট পুশব্যাক ট্রাক্টর ও টোবার, ব্যাগেজ বেল্ট লোডার, ব্যাগেজ ট্রাক্টর, প্যাসেঞ্জার বোর্ডিং স্টেয়ারস, গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট, এয়ার স্টার্ট ইউনিট, ক্যাটারিং ট্রাক, ওয়াটার ও ল্যাভাটরি সার্ভিস ট্রাকসহ বিভিন্ন র্যাম্প সাপোর্ট সরঞ্জাম।
এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (বৈদ্যুতিক যান) পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনের কাজ চলছে। এর মাধ্যমে গ্রাউন্ড অপারেশনে জ্বালানির ব্যবহার ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব সেবা চালুর লক্ষ্য রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে ইউএস-বাংলার বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইন্সটি। এর সঙ্গে আরও প্রায় ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উড়োজাহাজের সংখ্যা ও গন্তব্য বাড়ানোর পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেটে আঞ্চলিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় গ্রাউন্ড সাপোর্ট ও অবকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, আধুনিক গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্ট, দক্ষ জনবল ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ফ্লাইট পরিচালনার সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সরকারের বিমানবন্দর আধুনিকায়ন ও পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের এভিয়েশন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বাড়াচ্ছে তারা।






