জাপানে রোদ দেখে স্বস্তি, পাকিস্তানের বিপক্ষে যে লক্ষ্য বাংলাদেশের

জাপানে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিন মাঠের অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটলেও অবশেষে দেখা মিলেছে ঝলমলে রোদের। স্বস্তির আবহাওয়ায় অনুশীলনে নেমেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নাজমুল হোসেন শান্তর অসুস্থতাজনিত ছিটকে পড়া বড় ধাক্কা হলেও, তা পেছনে ফেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে মুখিয়ে টাইগাররা। জয়ের লক্ষ্য লিটন দাসদের।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় জাপানের নিশিনে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নামবে বাংলাদেশ। তার আগেরদিন কথা বলেছেন ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি। কথা বলেছেন, দলের প্রস্তুতি নিয়ে।
জাপানে পৌঁছানোর পর এই প্রথম রোদ দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ইয়াসির। বলেছেন, ‘জাপানে আসার পর মনে হয় আজই প্রথম রোদ দেখলাম। ভালো লাগছে যে ভালোমতো মাঠে নামতে পেরেছি। আগামীকালের আবহাওয়াও ভালো থাকবে বলে আশা করছি, ফলে খেলার জন্য সুন্দর একটি পরিবেশ পাব।’
গত কয়েক দিন বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠেই নামা হয়নি বাংলাদেশের। এমনকি নেটে নিয়মিত অনুশীলনও করতে পারেনি। তবে তাতে দলের মনোযোগে কোনো ঘাটতি পড়েনি বলে জানান ইয়াসির। বলেছেন, ‘মাঠের অনুশীলন না হলেও আমরা মানসিকভাবে সবসময় প্রস্তুত ছিলাম। পুরো দলের জিম সেশন ছিল। এছাড়া ফুটবল মাঠে গিয়েও গা গরম ও ফুটবল খেলে নিজেদের ফিট রেখেছি।’
দলের অন্যতম ব্যাটিং ভরসা নাজমুল হোসেন শান্ত হঠাৎ অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। এতে ব্যাটিং অর্ডারে কোনো বাড়তি চাপ তৈরি হবে কি না-এমন প্রশ্ন এসেছিল ইয়াসিরের সামনে। বলেছেন, ‘শান্ত ভাইয়ের এভাবে অসুস্থতার কারণে চলে যাওয়াটা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। তবে যা হয়ে গেছে তা নিয়ে পড়ে থাকার সুযোগ নেই। এখন আমাদের সামনের দিকে তাকাতে হবে। বর্তমানে আমাদের যে ব্যাটিং অর্ডার আছে, তা নিয়েই পূর্ণ শক্তি দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’
সম্প্রতি কিছুট পাকিস্তান ছন্দহীন থাকলেও তাদের কোনোভাবেই খাটো করে দেখতে নারাজ ইয়াসির। বলেছেন, ‘আমি ওদের নড়বড়ে বলব না, পাকিস্তান সবসময়ই খুব ভালো দল। ক্রিকেটের মাঠে যারা যেদিন সেরাটা খেলবে, তারাই জিতবে। আমরা কারো শক্তিমত্তা নিয়ে অতিরিক্ত না ভেবে নিজেদের সেরা খেলাটাই উপহার দিতে চাই।’
পাকিস্তানের আগ্রাসী ক্রিকেটের বিপক্ষে দলের কৌশল নিয়ে ইয়াসির জানান, নিজস্ব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ধরে রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো দলের জন্য নয়, প্রতিটি ম্যাচের জন্যই টিম ম্যানেজমেন্টের আলাদা পরিকল্পনা থাকে। আমাদের মূল কাজ হলো সঠিক প্রক্রিয়া মেনে চলা এবং ইতিবাচক ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলা। কন্ডিশন ও উইকেট অনুযায়ী বাকিটা মাঠে বাস্তবায়ন করতে পারলেই ভালো ফল আসবে।’






