সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এ সময় অঞ্চলের সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করে।
রোববার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় আরাঘচি বলেন, রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা বাদ দিয়ে সামরিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। তার মতে, অঞ্চলের সংকটের সমাধান সামরিক পথে সম্ভব নয়।
সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে আলোচনা শুরু করতে এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ইরান প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদের বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলায় ১২ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হন। এর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা পুনর্বিবেচনার কথা বলেন। ইরানে আবার হামলা চালানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে ইরানে হামলা আবার শুরু করা হবে না। তার নতুন বক্তব্য আগের অবস্থান থেকে ভিন্ন।
দীর্ঘদিনের বিরোধের পর ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়। দুই দেশের দূতাবাসও আবার চালু হয়। এর আগে সাত বছর তাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না।
তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর দুই দেশের সম্পর্কে আবার উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর ইরান ও তাদের মিত্র বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
২০২৬ সালের মার্চে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান বলেছিলেন, সৌদি আরব ও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলা সহ্য করার সীমা রয়েছে। তিনি ইরানকে তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।






