বাংলাদেশের ৯ গোল হজমের ম্যাচে ফারহানের প্রথম সাফল্য
আসিয়ানের ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া

ফিফা আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে রাকিব হোসেনের অ্যাসিস্টে গোল করেছেন উইঙ্গার ফারহান আলী ওয়াহিদ। বাংলাদেশের পাওয়া অপর গোলটি শুকি ইতোফুসার অ্যাসিস্টে করেছেন ফরোয়ার্ড শাহরিয়ার ইমন। ১৯৮২ সালে ইরানের বিপক্ষে সবশেষ ৯ গোল হজম করার পর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে আবারও ৯টি হজম করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা, হেরেছ ৯-২ গোলের ব্যবধানে।
বাংলাদেশকে ৯ গোল দিয়ে আসিয়ান কাপের ফাইনালে উঠেছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ গোল করেছেন মিচেল বেকার।
বাংলাদেশ ১১তম মিনিটে প্রথমবার পিছিয়ে পড়ে। ইন্দোনেশিয়ার ফরোয়ার্ড ওলে রোমেনির অ্যাসিস্টে গোল করেন গোল করেন মিচেল বেকার। ২০ মিনিটে আবারও গোল হজম করে বাংলাদেশ। এবারও মিচেল বেকারের ব্যাক হিলে গোল আসে ইন্দোনেশিয়ার, ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দশ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল আদায় করে নেন বেকার।
বাংলাদেশের বিপদ আরও বাড়ে ২৩ মিনিটে। মিডফিল্ডে বল দখলের লড়াইয়ে চোট পান মিডফিল্ডার শমিত সোম। ২৬ মিনিটে তাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান সোহেল রানা সিনিয়রকে। ৩২ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করে বাংলাদেশ। এবার গোল করেন রিজকি রিদো।
বাংলাদেশ প্রথম সাফল্য পায় ৩৬ মিনিটে। শুকি ইতোফুসার ক্রসে হেডে গোল করেন শাহরিয়ার ইমন, ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১ গোলে। তবে পরের মিনিটেই আবারও গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। মিচেল বেকার হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ম্যাচে গোলের ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-১ এ।
৪২ মিনিটে আবারও গোল হজম করে বাংলাদেশ। হ্যাটট্রিক করার পর বেকার তার চতুর্থ গোল করেন। ৫-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। বিরতির ঠিক আগের মিনিটে আবারও গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। এবার গোল করেন জাস্টিন হান্টার, ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের খেলা ছিল দারুণ। পুরোটা সময় দারুণ কিছু সেভ দিয়ে বাংলাদেশকে আরও পিছিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশের জালে আরও একবার বল পাঠান ওলে রোমেনি। তবে সেটি অফসাইডে বাতিল হয়ে যায়।
৯০ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। ৯১ মিনিটে রাইট উইং থেকে ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেনের অ্যাসিস্টে গোল করেন ফারহান, দেশের জার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচে নেমে পেয়ে গেলেন প্রথমটি। ৯৬ মিনিটে বাংলাদেশের কপাল আরও পুড়লো, ৭ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল হজম করে বাংলাদেশ, ব্যবধান দাঁড়ায় ৯-২। ওই ব্যবধানে ম্যাচ জিতে আসিয়ান কাপের ফাইনালে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া।






