আন্তর্জাতিক

দিল্লিতে পতাকা ওড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা অভিজিৎ দীপকের

দিল্লিতে পতাকা ওড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা অভিজিৎ দীপকের

ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থানে আছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই দাবিতে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি। কর্মসূচির নাম ‘ত্রিরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে দাও’। এর অংশ হিসেবে দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হবে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দীপকে জানান, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর কারণে তার সংগঠনের দুই জ্যেষ্ঠ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাই যাদের মনে দেশের প্রতি ভালোবাসা ও জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা আছে, তাদের সবাইকে মিছিলে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মিছিলের পর তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হতে পারে।

এ সময় তিনি গত ১০ অক্টোবরের যন্তরমন্তরের আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন। সেদিন দেশটির তরুণদের যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার কথা থাকলেও ব্যাপক পুলিশি উপস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করা সবাইকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে অভিজিৎ ও তার অন্য সহযোগীরাও ছিলেন। একই দিন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও আটক করা হয়।

তিনি বলেন, ‘সংগঠন, দিল্লির সব তরুণ রাস্তায় লড়াই করছে। তাদের রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নেহাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, আয়েশাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, ভিল্লাজকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কার জন্য? জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচানোর জন্য।’

অভিজিৎ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার তার নিজ দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বাঁচানোর জন্য এত কিছু করা হলো এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এদিকে নিরাপত্তাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, কালও ককরোচ পার্টি ও অন্যান্য তরুণদের দিল্লিতে কোনো আন্দোলন করতে দেওয়া হবে না। যেখানে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে সেই সেন্ট্রাল পার্কসহ যন্তরমন্তরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে এবং সেসব জায়গায় কাউকে যেতে দেওয়া হবে না।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে সমাবেশ আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তারা অনুমতি চাননি। সেখানে সমাবেশের জন্য অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, ১৬৩ ধারায় নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর থাকায় তিরঙ্গা মার্চের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

বিষয়:‘ত্রিরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে দাও’ অভিজিৎ দীপকে দিল্লি প্রধান নির্বাচন কমিশনার

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…