সাব্বির রহমান সবার শেষে ব্যাটিং অনুশীলন করলেন। অন্যদিকে বোলারদের নেটে তাসকিন, রাব্বি, রুবেলকে আগপাছ তালিকায় ফেলা গেল না। সবাই একসঙ্গে কখনো বাউন্স, কখনো লাইন ঠিক রাখার অনুশীলন করলেন। এই দুটো ঘটনার সঙ্গে দুটো ব্যাপার জড়িত।
এক. মঙ্গলবারের ম্যাচে সাব্বির রহমানের জায়গা অনিশ্চিত। তাই সবার শেষে তার অনুশীলন সূচি নির্ধারিত ছিল।
দুই. সকাল পর্যন্ত উইকেটে ঘাস থাকলে তিন পেসার; না থাকলে দুইজন। তাই পেসারদের মধ্যে মোস্তাফিজ বাদে কেউ নিশ্চিত নন। সবাই একসঙ্গে সমান উদ্যমে টানা হাত ঘুরিয়ে গেলেন।
একাদশ নিয়ে অমন পরিকল্পনার আভাস মিলেছে অধিনায়কের ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনেও। তিনি বলে যান, ‘আমরা দুদিন আগেও দেখেছি উইকেটে ঘাস আছে। এখন ততটা নেই। মঙ্গলবার সকালেও উইকেট দেখব। তারপর একাদশ ঠিক করবো।’
বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় সর্বশেষ টেস্ট সিরিজ খেলেছিল ২০১৩ সালে। ওই সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুশফিকরা নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৬৩৮ রান তোলে। সেবার গলে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফ্ল্যাট উইকেট বানানো হয়েছিল। সেই দিনে আর এই দিনে বিস্তর তফাৎ। শ্রীলঙ্কা ওই ধরনের উইকেট এ যাত্রায় বানাবে না বলেই বাজি ধরা যায়। স্কোয়াডে লাসিথ মালিঙ্গা নামটা না থাকলেও যারা আছেন তারাই পেস আগুনে বাংলাদেশকে পোড়ানোর ক্ষমতা রাখেন। তাই উইকেটে ঘাস থাকলেও থাকতে পারে।
সেক্ষেত্রে মোস্তাফিজের সঙ্গে আরেক প্রান্ত সামলানোর দায়িত্ব পড়তে পারে তাসকিন আহমেদের। আর শুভাশিস রায়কে রাখা হলে তাইজুল ইসলাম বাদ পড়তে পারেন।
সাব্বির মূলত জায়গা হারাচ্ছেন লিটন দাসের কারণে। মুশফিক এখন থেকে বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলবেন। আর উইকেট সামলাবেন লিটন। তাই কম্বিনেশন ঠিক রাখতে দর্শক হতে হচ্ছে সাব্বিরকে।










