অস্বীকার করার উপায় নেই যে প্রায় সবাই নিজেকে সবার সামনে সুন্দর দেখানোর চেষ্টা করে থাকে। আর চেষ্টাটা বেশি থাকে তারকাদের মধ্যে। ভক্তদের মন জয় করে নিতে বিভিন্ন ধরণের রূপচর্চা করে থাকেন তারা। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে নিজেকে আরো সুন্দর করার প্রতিযোগিতায় তারকারা সহ সাধারণ মানুষও রূপচর্চার জন্য বেছে নিয়েছে বিভিন্ন উদ্ভট সব উপায় ও উপাদান।
ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল: আমেরিকার জনপ্রিয় সুপারস্টার কিম কার্দিশিয়ান সৌন্দর্য চর্চার জন্য ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল করেন। ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল করতে হলে নিজের শরীরের রক্ত বের করে একধরণের ক্যামিকেলের সঙ্গে মিশিয়ে জেলে পরিণত করা হয়। সেই জেল মুখে লাগিয়ে ফেসিয়াল করে। যারা এই ফেসিয়াল করেন তাদের দৃঢ় বিশ্বাস এই ফেসিয়াল ত্বককে করে তোলে উজ্জ্বল ও লাবণ্যময়ী।
স্নেক ম্যাসাজ: রূপচর্চার একটি উপকারি অংশ হলো ম্যাসাজ। তাই বলে সাপ দিয়ে ম্যাসাজ! স্নেক ম্যাসাজকে রেপিটাইল ম্যাসাজও বলা হয় যা ইন্দোনেশিয়া ও ইসরাইলের নারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। শরীরের সব ক্লান্তি দূর করতে ও বাতের ব্যথা দূর করতে এই ম্যাসাজ খুবই জনপ্রিয়।
শিপ প্লেসান্টা ফেসিয়াল: সুপারস্টার ভিক্টোরিয়া বেকহাম ও ডোনাটেলা ভারসেক নিজেকে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্ভট এই ফেসিয়ালটি করে থাকে। বিউটিশয়ানদের বিশ্বাস এতে চেহারায় আসে এক আকর্ষণীয় গ্ল্যামার।
ক্যাকটাস ফেসিয়াল: যে গাছের ধারে কাছে যেতেই মানুষ ভয় পায়, সেই গাছের পাতা দিয়েও ফেসিয়াল করা বাদ দেয়নি তারকারা। বিশিষ্ট বিউটিসিয়ানরা পাতা থেকে কাঁটা সরিয়ে সেই পাতা সিদ্ধ করে থাকেন। সেই পাতার রস দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করলে ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ, চলে যায় সব দাগ।
বার্ড পুপ ফেসিয়াল: গায়ে, মাথায় যখনই কোনো পাখির বিষ্ঠা পড়ে তখনই সবাই অনেক বিরক্ত হয়ে যায়।কিন্তু অনেক তারকারা আছেন যারা এতে মোটেও বিরক্ত হন না বরং খুশি হয়ে যান। যুগ যুগ ধরে জাপানে অনেক প্রসিদ্ধ ও জনপ্রিয় এই ফেসিয়ালটি বিখ্যাত গায়ক জাস্টিন বিবারসহ অনেক তারকারাই করে থাকেন। এই ফেসিয়ালে বিশেষ করে নাইটঙ্গেল পাখির বিষ্ঠা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।







