কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আব্দুল জব্বারকে গার্ড অব অনার

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রয়া আব্দুল জব্বারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, গত শতকের ষাট ও সত্তর দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রয়াত আব্দুল জব্বারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হলো। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজুয়া আকরাম ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা এই গার্ড অব অনার দেন। আজ ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়।
আব্দুল জব্বারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সচিব আবু নাসের চৌধুরীসহ মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সংগঠন আর আব্দুল জব্বারের ভক্তরা। প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে সবাই এসেছেন এখানে।
বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আব্দুল জব্বারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা আমাদের সংগীতের হেমন্ত মুখার্জিকে হারিয়েছি।’

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘আজকের প্রজন্ম আব্দুল জব্বারের অবদানের অনেক কিছুই জানতে পারেনি। ১৯৬৯ আর ১৯৭০ সালে কণ্ঠে গান নিয়ে আব্দুল জব্বার ছুটে বেড়িয়েছেন দেশের নানা প্রান্তে। গান নিয়ে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ আর ছাত্রলীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা পৌঁছে দিয়েছেন সবার কাছে। যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন জাতিকে।’
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আব্দুল জব্বারের মরদেহ আনার পর সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।
গতকাল ৩০ আগস্ট বুধবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আব্দুল জব্বারকে ১৯৮০ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।
লেখা ও ছবি: আসিফ রহমান খান






