ওয়াসিম-ওয়াকারদের মনে করালেন বোলাররা

বাংলাদেশের ক্রিকেটার ওয়াসিম-ওয়াকারদের মনে করালেন বোলাররা, মাঠে এক উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
ওয়াসিম আকরাম-ওয়াকার ইউনুসরা যখন দলে ছিলেন, তখন অল্প রানের পুঁজি নিয়েই অনায়াসে ম্যাচ জিতে নিত পাকিস্তান। আবুধাবিতে কম পুঁজির ম্যাচ জিতে আবার পুরনো সেই বোলিং সেনাদের কথাই মনে করাল পাকিস্তানের এ প্রজন্মের বোলাররা। বর্তমান সময়ের বিচারে ওয়ানডেতে ২১৯ রান কমই, তবুও কত সহজেই না ম্যাচটা জিতল সরফরাজের দল। শ্রীলঙ্কাকে ৩২ রানে হারিয়ে সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেল তারা।
অপেক্ষাকৃত সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কার উপুল থারাঙ্গা ছাড়া আর কেউই উল্লেখ করার মতো সংগ্রহ গড়তে পারেননি। পাকিস্তানি বোলারদের সামনে বুক চিতিয়ে একাই লড়েছেন থারাঙ্গা। শেষ পর্যন্ত তার ১১২ রানের অপরাজিত ইনিংসও জলে যায়।
শুরুতে রানের চাকাটা ভালভাবেই আটকে দিয়েছিলেন জুনায়েদ খান-হাসান আলীরা। পরে স্পিনাররা কাজ ষোলোআনা পূরণ করেছেন। শাদাব খান তো নিজের প্রথম তিন ওভারেই নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাট হাতে মোটেই স্বস্তিতে ছিল না পাকিস্তান। ১০১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পড়া পাকিস্তানকে উদ্ধার করেন বাবর আজম ও শাদাব। সপ্তম উইকেটে দুজনে গড়েন ১০৯ রানের জুটি। তাতে পাকিস্তান পায় ২১৯ রানের পুঁজি।
বাবর পান ক্যারিয়ারের সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। ১৩৩ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরির মাধ্যমে একটি বিশ্বরেকর্ডও গড়েছেন বাবর। সবচেয়ে কম ম্যাচে ৭ সেঞ্চুরির মালিক এখন তিনি। আগের রেকর্ডটি ছিলে প্রোটিয়া ওপেনার হাশিম আমলার। ৪১ ওয়ানডেতে গিয়ে ৭ম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন আমলা। তার চেয়ে ৮ ইনিংস কম খেলেই রেকর্ড স্পর্শ করলেন বাবর।
টানা তিন ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্বও আছে বাবরের। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শারজায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচে করেছিলেন যথাক্রমে ১২০, ১২৩ ও ১১৭ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ৪৫ ওভারে ২১৯/৯ (বাবর ১০১, শাদাব ৫২*, ফখর ১১, মালিক ১১; গামাগে ৪/৫৭, পেরেরা ২/৩৪, লাকমল ১/৪২)
শ্রীলঙ্কা: ৪৮ ওভারে ১৮৭/১০ (থারাঙ্গা ১১২*, ভ্যান্ডারসে ২২, থিরিমান্নে ১১; শাদাব ৩/৪৭, মালিক ১/১৭, জুনাইদ ১/২১, হাফিজ ১/২৪, হাসান ১/৩২, রইস ১/৩৭)
ফল: পাকিস্তান ৩২ রানে জয়ী।






