ম্যাচের কয়েক মিনিট পর সাঙ্গাকারা টুইট করেছেন। পাকিস্তানে ক্রিকেট ফিরতে দেখে উচ্ছ্বসিত তিনি। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ হাসান তিলকারত্নে বলেছেন ধন্যবাদ ছাড়া কিছুই দেয়ার নেই। কে বলবে ওই শ্রীলঙ্কাই লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ৩-০ ব্যবধানে টি-টুয়েন্টি সিরিজ খুইয়েছে!
পাকিস্তানের কাছে এই ম্যাচটি ক্রিকেটের চেয়ে বেশি কিছু ছিল। আট বছর আগে এই শহরে শ্রীলঙ্কার টিমবাসে জঙ্গি হামলা হয়। সেই থেকে বড় কোনো দল দেশটিতে ক্রিকেট খেলতে যায় না। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড অনেক দেনদরবার করে সিরিজের শেষ ম্যাচটি আবুধাবি থেকে নিজেদের দেশে আনতে সক্ষম হয়। দলটি সেই শ্রীলঙ্কা বলে বিশ্ববাসী চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিল। ম্যাচের আগে দেশজুড়ে সাজসাজ রব পড়ে যায়। শহর, গ্রামের রাস্তায় নেমে আসে ঈদানন্দ। ম্যাচের পর বোর্ডের চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি বলেছেন, ‘পাকিস্তানের কাছে এই ম্যাচটি ঐতিহাসিক হয়ে থাকবে।’
শেষ পর্যন্ত কোনো ঝামেলা ছাড়াই ম্যাচটি শেষ হয়েছে। পাকিস্তান জিতেছে ৩৬ রানে। টস জিতে শ্রীলঙ্কা আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটির পর দ্বিতীয় উইকেট পড়ে ৯১ রানে। ফখর জামান ২৭ বলে করেন ৩১। উমর আমিন ৩৭ বলে ৪৫। শেষ ওভারে আউট হওয়া শোয়েব মালিক ২৪ বলে করে যান ৫১। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন তিনি। ফাহিম আশরাফ তিন বলে ১৩ করে অপরাজিত থাকেন।
জবাব দিতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ১০ রানের মাথায় উইকেট পতনের শুরু হয়। দাশুন শানাকা ৩৬ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেও দলকে হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান চতুরঙ্গ ডি সিলভার, ২০ বলে ২১। মোহাম্মদ আমির একাই উড়িয়ে দিয়েছেন লঙ্কানদের। চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ১৯ রান খরচায় দুই উইকেট ফাহিম আশরাফের।







