সাফের প্রচারণা না থাকায় হতাশ, বাংলাদেশ দল নিয়ে ‘হাইপ’ দেখছেন বাফুফে সভাপতি

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হতে আর মাত্র দুদিন বাকি। অথচ বাংলাদেশে বসতে চলা আসর নিয়ে এখনও কোনো প্রচারণা নেই আয়োজক সংস্থা সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ)। এ বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল নিজেও একটু হতাশ। মঙ্গলবার বাফুফে প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
সাফের তেমন কোনো প্রচারণা দেখা যাচ্ছে না কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘সাফ আয়োজনের প্রধান দায়িত্ব আয়োজকদের উপর বর্তায়। সাফ টিভি রাইটসের মালিকানা, ম্যাচ, ম্যাচের ক্যালেন্ডার সবকিছুর মালিক তারা। সাফের যদি কোনো ব্র্যান্ডিং থাকে স্টেডিয়ামে, সেটাও সাফের নিজের। সাফ কিন্তু খরচ বহন করতেছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কোনো খরচ নেই, বরঞ্চ অংশগ্রহণ করার জন্য ফেডারেশন উল্টো আরও কিছু আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছে।’
সব দল একইভাবে পাচ্ছে। আমরা কোথাও ভ্রমণ করছি না, ভ্রমণ করার বিনিময়ে যে টিকিটের খরচ, সেটাও ফেডারেশন পেতে যাচ্ছে। তো ওই জায়গাতে আমাদের সাফের সাথে সম্পর্ক একদমই পরিস্কার ও বন্ধুত্বপূর্ণ। আয়োজনের জায়গায় আমি নিজেও একটু হতাশ, যে হাইপটা আমরা মনে করেছিলাম টুর্নামেন্ট ক্ষেত্রে হবে, সেটাও হচ্ছে না।’
বাংলাদেশ দলের প্রচার প্রচারণা ও হাইপ ভালো উল্লেখ করে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘আশা করি, যতদিন যাবে হাইপটা একটু তুলে ধরতে পারবে। গতকালকে একটা টিম এসেছিল, আজকে দুইটা টিম এসেছে। সম্ভাবত দল আসার পরে বাংলাদেশে অনেকে একটু স্বস্তি পাবে যে, না টুর্নামেন্টটা হতে যাচ্ছে। তখন হয়তো আমরা একটু হাইপ দেখতে পারবো, এটা আমি আশা রাখি।’
‘ফুটবল ফেডারেশনের যে দায়িত্ব, আমাদের জাতীয় দল নিয়ে হাইপটা তৈরি করা, সেই হাইপটা আমরা ইতিমধ্যে দেখতে পারছি। অনেক জায়গা থেকে দর্শকরা অভিযোগ করছে, তারা ট্রেনিং সেশন দেখতে পারছে না। অনেক জায়গায় আমার মিডিয়া ভাইয়েরাও অভিযোগ করতেছে, তারাও অনেক সেশন্স কাভার করতে পারতেছে না।’
ফেডারেশনের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে উল্লেখ করে তাবিথ আউয়াল আরও বলেন, ‘এইসব অভিযোগ পাওয়াটা যেরকম, মানে স্বাভাবিক এবং আমার জন্য অনেক কাজ করার জায়গা তৈরি করে দিয়েছে। একই সাথে আমাকে বার্তা দেয় যে, চাওয়া-পাওয়া, লাভ, ফুটবল নিয়ে আগ্রহ কিন্তু অনেক আগে থেকেই জেগে উঠেছে। তো সেই জায়গাতে আমি মনে করি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আমরা জাতীয় দল ঘিরে সঠিক পথে আছি।’





