শেরপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর মাটিচাপা অবস্থায় এরশাদ মিয়া (৪০) নামে এক কবিরাজের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
২১ অক্টোবর সোমবার সকালে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের মধ্য সাতপাকিয়া গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের তীর থেকে বস্তায় মাটিচাপা দিয়ে রাখা অবস্থায় ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। কবিরাজ এরশাদ মিয়া সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কাজিরচর গ্রামের হাক্কু শেখের ছেলে।
শেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিহত এরশাদ মিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নিচের চরে চাপা দিয়ে রেখে গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। একইসাথে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর কবিরাজ এরশাদ মিয়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর বাড়ি ফিরেনি। বাড়ির লোকজন এরশাদ মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তা বন্ধ পান। পরে আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অবশেষে ১৯ অক্টোবর পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে, সোমবার সকালে চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া গ্রামের মানুষ ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ শিকার করতে গেলে নদের পারে দুর্গন্ধ পায়। পরে মাটি চাপা দেওয়া একটি বস্তার কাছে গিয়ে মানুষের মাথা দেখতে পেয়ে সদর থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। সেসময় পরিবারের লোকজন মরদেহটি এরশাদ মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।







