বৃষ্টি কমায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে গাইবান্ধায় পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বন্যার পানি বাড়ছে। অন্যদিকে কুড়িগ্রাম ও নেত্রকোণার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলেও দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের।
জানা গেছে, বৃষ্টিপাত কমে আসায় সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচে নেমে এসেছে। পানি কমাতে শুরু করায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে কাদাপানি নিয়েই অনেকেই বসতভিটায় গিয়ে উঠতে শুরু করেছেন।
তাছাড়া, সুনামগঞ্জে দুর্গত এলাকা থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। পাহাড়ি ঢল কমায় সুরমা, যাদুকাটা ও বোলাই নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে। তবে পানি কমলেও সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দোয়ারা বাজার, তাহিরপুর, বিশম্ভরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ এখনো চরমে।
কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জসহ চার উপজেলার সকল নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরমধ্যে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সিন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার চর এলাকার নিম্নাঞ্চলের রাস্তা ঘাট পানিতে ডুবে গেছে। বন্যা আতঙ্কে রয়েছে চরের লাখো মানুষ।
কুড়িগ্রাম বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ী তলিয়ে থাকায় উচু বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষজন গবাদি পশু নিয়ে কষ্টে রয়েছেন। পানি না কমায় দুর্ভোগ বেড়েছে পানিবন্দী মানুষের।
নেত্রকোণায় বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়ে আসলেও বেড়েছে দুর্ভোগ। গত দুই দিনে ব্যনার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি কোন সহায়তা পৌছেনি বলে অভিযোগ করেছেন দুর্গত এলাকায় মানুষ।










