শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের অবস্থান, দাবি না মানলে ‘মার্চ টু সচিবালয়’

ছবি: সংগৃহীত
তিন দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। এসময় ৩০ মিনিটের আল্টিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দুপুর ১টার মধ্যে দাবি না মানলে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করবেন তারা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে শাহবাগে অবস্থান নেয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ১১টা ২৫ মিনিটে সেখানে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
সারা দেশের বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষার্থীদের আসার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজশাহী থেকেও ঢাকায় রওনা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা শাহবাগে অবস্থানের পর সেখান থেকে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা। পরে রাত সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী শিক্ষার্থী ও প্রকৌশলীদের আজ সকাল ১০টায় ‘লংমার্চ টু ঢাকা’কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
ইঞ্জিনিয়ারিং নবম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী ও সমমান পদে নিয়োগ পেতে সবাইকে নিয়োগ পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়াসহ তিন দফা দাবিতে গতকাল বিকেল পৌনে ৪টা থেকে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা।
গতকাল শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে তারা ১১ জন সদস্য নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেন। তবে বৈঠকে সন্তোষজনক ফলাফল আসেনি। একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, রংপুরে প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান রোকনকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা হত্যার হুমকি দিলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
হুমকিদাতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। এটাই তাদের প্রথম দাবি উল্লেখ করে জানান, আগে তারা যে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন, সেগুলো মেনে নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- সহকারী প্রকৌশলী পদের জন্য ন্যূনতম বিএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে, কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি দেয়া যাবে না। একইসাথে অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেয়া যাবে না।
এছাড়া টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদের নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা ও বিএসসি ডিগ্রিধারী সবার জন্য উন্মুক্ত করা, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিষয়ে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়ার দাবিও তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।






