ফুটবল

কোমোর ৯ গোলের রেকর্ডের পর পা মাটিতেই রাখতে বলছেন ফ্যাব্রেগাস

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

কোমোর ৯ গোলের রেকর্ডের পর পা মাটিতেই রাখতে বলছেন ফ্যাব্রেগাস

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফরাসি ক্লাব লেন্সের মাঠে ৯-১ গোলের রেকর্ড জয়ে ইতিহাস গড়েছে ইতালির কোমো১৯০৭। জয়ের পর শিষ্যদের বিনয়ী থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কোচ সেস ফ্যাব্রেগাস। ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় কোন ইতালিয়ান ক্লাবের অ্যাওয়ে ম্যাচে এত বড় জয় এটিই প্রথম। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি।

মঙ্গলবার রাতে কোমোর তাসোস ডুভিকাস তুলে নেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। নিকো পাজ, লুকাস দা কুনহা, মার্ক-অলিভার কেম্পফ, মাটিয়া লিবারালি, মার্টিন বাতুরিনা এবং মাত্তেও পাপাসিওলি একটি করে গোল করেন। জয়ে ৪ ম্যাচে ৩ জয়ে ইউরোপসেরার লিগপর্বে টেবিলের চারে উঠে এসেছে দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তাদের টানা ষষ্ঠ জয়ও।

স্পেনিয়ার্ড ফ্যাব্রেগাসের শিষ্যরা যে ৯-১ গোলে জিতল, তাতে এপর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন লিগে কোন একক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে ফেলেছে বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে। ২০২৪ সালে জার্মান জায়ান্টরা ডায়নামো জাগরেবকে ৯-২ গোলে হারিয়েছিল।

ম্যাচের পর ফ্যাব্রেগাস বলেছেন, ‘এটি কোমো, আমাদের সমর্থক এবং এখানে ক্যারিয়ারের শুরুতে থাকা তরুণ ছেলেদের জন্য এক অসাধারণ রাত। তবে তাদের মাটিতে পা রাখতে হবে, বিনয়ী হতে হবে, ক্রমাগত শিখতে হবে। এখান থেকেই সবকিছু সহজ হয়ে যাবে এমন ভাবলে চলবে না। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তাদের কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।’

‘আমি আনন্দিত। এটাই ফুটবল এবং সবকিছুই আমাদের পক্ষে গেছে। ছেলেরা দারুণ খেলেছে। তবে এখন আমাদের রোববারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে হবে।’

ম্যাচে একটি গোল হজম করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কোমো কোচ, ‘আমরা যে গোলটি হজম করেছি, তাতে কিছুটা ক্ষুব্ধ। তিনটি পরিবর্তনের পর ডিফেন্সের কাঠামোয় কিছু বদল এসেছিল। তাছাড়া গোলটি করেছে আমার সাবেক সতীর্থ রুবেন আগুইলার। মোনাকোয় ওর সঙ্গে খেলেছি, ম্যাচ শেষে ওকে বললাম তোমাকে কখনও এমন গোল করতে দেখিনি! সত্যি বলতে গোলটি অসাধারণ ছিল।’

পরবর্তী ম্যাচ ও বাঁ-পায়ের খেলোয়াড়দের নিয়ে ফ্যাব্রেগাস বলেছেন, ‘শেষ দুটি ম্যাচ যখন দেখলাম পিএসজি ও বার্সেলোনার বিপক্ষে, তখনই ভেবেছিলাম শুরুর দিকের ম্যাচগুলো থেকে যতবেশি সম্ভব পয়েন্ট তুলে নিতে হবে। কোনকিছুই অসম্ভব নয়, তবে এই দুটি দল বাকিদের চেয়ে আলাদা পর্যায়ের। পথ এখনও অনেক বাকি। বাঁ-পায়ের খেলোয়াড়দের প্রতি আমার আলাদা দুর্বলতা রয়েছে। তারা একটু বিশেষ প্রতিভার অধিকারী হয়। তবে এত বাঁ-পায়ের খেলোয়াড় দলভুক্ত করা কোন পূর্বপরিকল্পনা ছিল না, এটি এমনিতেই হয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় বিষয়, আমরা কেমন ফুটবল খেলতে চাই তা তারা বুঝতে পারছে।’

বিষয়:কোমো ১৯০৭ নিকো পাজ মাটিয়া লিবারালি মাত্তেও পাপাসিওলি মার্ক-অলিভার কেম্পফ মার্টিন বাতুরিনা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…