কোচ-খেলোয়াড়দের দ্বন্দ্বে সৃষ্ট পরিস্থিতির পর বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাফুফেকে নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে দেয়া চিঠির পর বৃহস্পতিবার রাতেই ভার্চুয়ালি বসে জরুরি সভা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসানকে। কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম। সদস্যরা হলেন- বাফুফের দুই নির্বাহী সদস্য ছাইদ হাছান কানন ও সাখওয়াত হোসেন ভূইয়া শাহীন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কাজী নুসরাত এদিব লুনা এবং সরকারি দুই কর্মকর্তা হুমায়ন খালিদ ও আতিকুর রহমান। ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১৫ থেকে ১৭ জন নারী ফুটবলার বাফুফে ভবনের নিচে দলের বর্তমান কোচ পিটার বাটলারের অধীনে অনুশীলন না করা এবং ফেডারেশন এ কোচকে রাখলে ফুটবল ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন। এরপরই শুরু হয় তোলপাড়।
গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানের সময় কোচ নিয়ে আলোড়ন উঠেছিল। তবে কোচকে নিয়ে মেয়েদের বিদ্রোহ চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে এসপ্তাহে। গত সোমবার বাটলার ঢাকায় ফিরে মঙ্গলবার টিম মিটিং ডাকলে মেয়েরা তাতে অংশ নেননি।
এরপর বৃহস্পতিবার বাটলার জিম সেশন আয়োজন করলে তাতে বাফুফে ক্যাম্পে থাকা ৩০ খেলোয়াড়ের মধ্যে ১২ জন অংশ নেন। সন্ধ্যার পর বাকি ১৮ জন ভবনের নিচে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একটি লিখিত বক্তব্য দেন অনেক অভিযোগ উল্লেখ করে।







