ব্যাটিংয়ে দুর্বলতা কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিসিবির

আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠের এই সিরিজ সামনে রেখে দল নির্বাচনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের ম্যাচ অনুশীলন, ইনজুরি ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানিয়েছেন, বর্তমান টেস্ট দলের পারফরম্যান্সে তারা সন্তুষ্ট। তবে ব্যাটিংয়ের কিছু দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে চান তারা।
শুক্রবার আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলার সময় বাশার জানান, রানতাড়া করার দুর্বলতা কাটাতেও বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির। বিশেষ করে ২৫০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে গিয়ে কেন বাংলাদেশ চাপে পড়ে, আগামী ছয় মাসে তা খুঁজে বের করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আফ্রিকার কন্ডিশনে গড়াতে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে বড় লক্ষ্য তাড়া করার সামর্থ্য বাড়ানোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন নির্বাচকরা।
বলেছেন, ‘২৫০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে গিয়ে আমরা বিপদে পড়ছি। এটা মানসিক চাপের কারণে, নাকি টেকনিক্যাল-সেটা চিহ্নিত করাই মূল লক্ষ্য। সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে হতে যাওয়া বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করলে ৩০০ রান তাড়া করার প্রস্তুতি আমাদের থাকতে হবে। আগামী ৬ মাস এই সমস্যা সমাধানেই কাজ করা হবে।’
ওয়ানডে ও টেস্টে ব্যাটিং ইউনিটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করতে গিয়ে টপঅর্ডারের ব্যর্থতাকে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রধান নির্বাচক। তার মতে দ্রুত উইকেট হারানোর কারণে মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
বলেছেন, ‘টেস্টে ব্যাটাররা থিতু মনে হলেও ওডিআইতে শেষ কয়েকটি ম্যাচে পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল। কিন্তু মূল সমস্যা মিডল অর্ডারে নয়, প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই ২ বা ৩ উইকেট পড়ে গেলে মিডলঅর্ডার অতিরিক্ত চাপে পড়ে। আমাদের টপঅর্ডার ওপেনিং জুটিতে ভালো ভিত তৈরি করে দিলে মিডলঅর্ডারের ব্যাটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে বড় স্কোর গড়ে তুলতে পারবে।’



