বিনোদন

স্কুবা ডাইভিংয়ে নতুন মাইলফলকে ইরফানপুত্র বাবিল

স্কুবা ডাইভিংয়ে নতুন মাইলফলকে ইরফানপুত্র বাবিল

স্কুবা ডাইভিংয়ে ‘স্পেশালিটি ডাইভার’ সার্টিফিকেশন অর্জন করেছেন অভিনেতা ইরফান খানের বড় ছেলে অভিনেতা বাবিল খান। খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি।

তবে ডাইভিংয়ে নতুন এই সাফল্যের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

বাবিলের মতে, পৃথিবীকে রক্ষা করা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়, বরং এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের স্কুবা ডাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে বাবিল জানিয়েছেন, এর আগে তিনি অ্যাডভান্সড স্কুবা ডাইভিং সার্টিফিকেশন অর্জন করেছিলেন। এবার নতুন সার্টিফিকেশন পাওয়ার মধ্য দিয়ে পানির নিচের জগৎ অন্বেষণের প্রতি নিজের আগ্রহকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিলেন তিনি।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বাবিল লেখেন, ‘মন থেকে আমি আসলে একজন দ্বীপের ছেলে’। তার এই কথায় প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সমুদ্রের সঙ্গে তার নিবিড় সংযোগের বিষয়টি উঠে এসেছে।

 

ডাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন বাবিল। আধুনিক নগরজীবনের সংস্কৃতি মানুষকে কীভাবে প্রকৃতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে, সে বিষয়েও মন্তব্য করেন তিনি।

বাবিল লেখেন, ‘উন্নত পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সংস্কৃতি বিশ্বের প্রধান মহানগরগুলোতে এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, তা মানুষকে পরিবেশ সংরক্ষণকে ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় বলে ভাবতে শেখায়। কিন্তু এটি মোটেও তা নয়। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, একটু থামুন এবং নিজেদের ভ্রান্ত ধারণাগুলোকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন’।

তার এই বক্তব্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্পষ্ট। প্রকৃতিকে রক্ষা করা কেবল ব্যক্তিগত আগ্রহ বা সুবিধার ওপর নির্ভর করতে পারে না; বরং এ ক্ষেত্রে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন—এমন বার্তাই দিয়েছেন তিনি।

সমুদ্রের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বাবিল বলেন, সমুদ্রে থাকা তাকে প্রতিদিনের পরিচিত জীবনের বাইরের বিশাল জগৎ সম্পর্কে নতুন করে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। তার মতে, সামুদ্রিক প্রাণী এবং পানির নিচের বাস্তুতন্ত্র অত্যন্ত মূল্যবান। তাই সুবিধাজনক সময়েই কেবল পরিবেশ সংরক্ষণের কথা ভাবলে চলবে না। এটি সবার দায়িত্ব।

বাবিলের এই বার্তা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা, সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পানির নিচের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সুরক্ষিত রাখার গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে। প্লাস্টিক দূষণ কমানো, প্রবালপ্রাচীর রক্ষা এবং সামুদ্রিক প্রাণীদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা সমুদ্রের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্য ট্রিবিউন

বিষয়:অভিনেতা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিবেশ বাবিল খান সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র স্কুবা ডাইভিং

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…