তিব্বতের একটি নদীতে ভূমিধসের কারণে নতুন করে পানি আটকে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। হিমবাহ ধস ও আকস্মিক বন্যায় নেপাল-চীন সীমান্তে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রোববার ৩০ আগস্ট চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, বুধবার সৃষ্ট একটি হ্রদের প্রায় ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার ভাটিতে ‘প্রুকপু চিয়াং ঝাংবু’ নদীতে একটি ভূমিধস শনাক্ত করেছে একটি নজরদারি ড্রোন। এতে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে নতুন করে পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।
ভূমিধসের কারণে নদী বা ঝরনার প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে পানি জমে হ্রদ তৈরি হতে পারে। নতুন এই পরিস্থিতিতে আবার আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে বুধবার আকস্মিক বন্যা ও কাদাধসে নেপালের রাসুয়া জেলার সঙ্গে সংযুক্ত তিব্বতের কেরুং এলাকায় একটি হ্রদ তৈরি হয়েছিল। অতিরিক্ত পানি জমে হ্রদটি ভেঙে পড়লে বড় ধরনের বন্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
তবে চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগের হ্রদটির পানি এখন কমতে শুরু করেছে এবং তা স্বাভাবিকভাবেই শুকিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার পাহাড় থেকে বরফ ও তুষার পড়ে হ্রদটি পানিতে পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর পানি উপচে পড়েছিল। এতে নেপালের ভাটিতে অবস্থিত ভোটেকোশী ও ত্রিশূল নদীর পানির প্রবাহও বেড়ে যায়।
চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি দ্রুত বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে কেরুং বন্দরের উদ্ধারকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চীনা বিশেষজ্ঞরা হ্রদের পানির স্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। পানি আবার উপচে পড়ার লক্ষণ দেখা দিলে সতর্কবার্তা জারির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।









