যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন আবদুল এল-সায়েদ

ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল নেতা আবদুল এল-সায়েদ। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে ডেট্রয়েটে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কার্যালয়ে সমর্থকদের সামনে নিজের বিজয় ঘোষণা করেন ৪২ বছর বয়সী এল-সায়েদ। তার এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও সুসংহত করেছে। মঙ্গলবারের নির্বাচনে টেক্সাস, কানসাস ও সাউথ ক্যারোলাইনায় গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়ে উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণও নিয়েছে দলটি।
বিজয়ী ভাষণে এল-সায়েদ বলেন, ‘আপনারা এমন একজন প্রার্থীর ওপর আস্থা রেখেছেন, যার জয়ের সম্ভাবনা খুব কম বলে মনে করা হয়েছিল। আপনারা আমাকে নিজেদের বাড়িতে, গির্জায় ও উপাসনালয়ে জায়গা দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, দেড় বছর ধরে মিশিগানের বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট ছোট জনপদে প্রচার চালিয়ে একটি জনসমর্থনের আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে। কঠিন সময়েও ভোটারদের সমর্থন তাকে শক্তি জুগিয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারে এল-সায়েদকে ঘিরে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা তার নাম ও ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে প্রচার চালান। ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদি’ ও ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দেন। এমনকি সিনেটে প্রবেশের সময় তাকে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন।
মার্কিন ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সরাসরি ভোটে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। মিসরীয় বংশোদ্ভূত এই চিকিৎসক স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতার জন্য পরিচিত।





