জঙ্গি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জনতা এখন পুলিশকে সহযোগিতা করছে। আগে গ্রাম-মহল্লায় স্থানীয়রা যে সামাজিক কর্মকাণ্ড করতেন, এখন কমিউনিটি পুলিশ সেই কাজটি করছে। এখনকার পুলিশ আর দশ বছর আগের পুলিশ এক নয়।
শনিবার ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘জঙ্গি-মাদক প্রতিকারে জনতা পুলিশ এক কাতারে’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে এলাকাগুলোতে যে সামাজিক ব্যবস্থা ছিল, সেটা কমে যাওয়ার ফলে এখন সন্ত্রাস বাড়ছে। তিনি বলেন, দুই দফায় ইতিমধ্যে ৮০ হাজার পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে অনেক সুবিধা দিতে না পারলেও সমস্যাগুলো দূর করার জন্য কাজ চলছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং কে টিকিয়ে রাখতে শুধু পুলিশ নয় জনগণকেও উদ্যোগী হতে হবে। পারস্পারিক আস্থাবোধ, শ্রদ্ধাবোধ ও সম্পর্কউন্নয়ন কমিউনিটি পুলিশিং এর মূল ভিত্তি।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন: সমাজের সকলকে একই প্লাটফর্মে এসে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজিসহ অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আপনাদের অংশগ্রহণে বর্তমানে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ভিত্তিতে পৌঁছেছে। থানার সেবার মান উন্নয়ন ও জনগণকে থানামুখী করা, পুলিশকে জনবান্ধব করার পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিউনিটি পুলিশিং এর মূল কাজ।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে পুলিশের আট বিভাগ থেকে আটজন সদস্যকে ও বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দপ্তরের সামনে থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শোভাযাত্রা বের করে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এছাড়াও উত্তরায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) হেডকোয়ার্টার্সের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৭ উপলক্ষে বিশেষ বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।










