দুইবার সাউথ আফ্রিকা সফর করেছেন। প্রত্যেকবার ‘এ’ টিমের হয়ে। কামরুল ইসলাম রাব্বি তাই জানেন সেখানের উইকেট কেমন হয়। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সতীর্থদের জন্য সাহসের ডালি সাজিয়ে দিলেন, ‘ওখানের উইকেটে একটু বাউন্স থাকবে, একটু বেশি গতি থাকবে। অন্যকিছু প্রায় একই। যে বল ঘুরাতে পারে, সে সব জায়গায় পারবে। যে ব্যাট করতে পারে, সব জায়গায় পারবে। জাস্ট স্বাভাবিক।’
১৬ সেপ্টেম্বর সাউথ আফ্রিকার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে বাংলাদেশ। বহরে থাকবেন পাঁচ পেসার। শোনা যাচ্ছে তাদেরই একজন রাব্বি।
‘আমরা এখন বিশ্বের যেকোনো টিমের সঙ্গে লড়তে পারি। ওদের উইকেটটা একটু আলাদা। আমাদের এখানে অত বেশি বাউন্স থাকে না। বাউন্সি উইকেটে সাকিব ভাই কিন্তু ২০০ করেছেন। মুশফিক ভাইয়েরও ভালো করার অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের কাছে বাউন্সি উইকেটও কিছু না। ওদের বোলাররা যদি ভালো করতে পারে আমরাও পারবো।’ মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন রাব্বি।
সাউথ আফ্রিকায় দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে অংশ নেবেন মাশরাফী-মুশফিকরা। ২১ সেপ্টেম্বর বেনোনিতে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ) আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে সফর শুরু করবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ দল সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে শেষ করেছে। রাব্বীসহ অনেকেই দলের বাইরে ছিলেন। রাব্বী বলছেন দলের সঙ্গে না থাকলেও তারা ভালো অনুশীলন করেছেন, ‘আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি আছে। বাকিটা সুযোগ পাওয়ার পর বলতে পারবো। আমাদের ওভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে। যেন বিদেশের মাটিতে যেয়ে ভালো করতে পারি।’
‘যারা দলের বাইরে ছিল, তারা যেন অনুশীলনের ভেতর থাকে সে ব্যবস্থা করা ছিল। অনুশীলনে যেন কোনও গাফিলতি না হয়, সেভাবে আমরা কাজ করেছি।’
দেশের মাটিতে খেলা মানেই স্পিনারদের ঝলক। পেসাররা কিছুটা আড়ালে পড়ে যান। কিন্তু বিদেশে খেলা হলে পরিস্থিতি আবার ভিন্ন হয়ে যায়। তখন এগিয়ে আসতে হয় পেসারদের। রাব্বি বলছেন এই সুযোগটা তারা নিতে চান।
‘সাউথ আফ্রিকার মতো দেশে পেসাররা ভালো করে। আমাদের এখানে স্পিনাররা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে বলেই আমরা জিততে পেরেছি। আর দেশের বাইরে গেলে আমাদের ওপর অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ থাকে। যে পেসাররা ওখানে খেলবে তাদের ব্যাপারটা মাথায় নিয়ে নিতে হবে। স্পিনাররা দেশের মাটিতে ভালো করেছে, পেসারদেরও বিদেশে ভালো করতে হবে।’








