প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ভারতের মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রীসহ বাণিজ্য প্রতিনিধি দলকে আগামী মাসে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাবে
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, সে সময় ওই অঞ্চলের সঙ্গে
ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করতে বেশ কয়েকটি খাতে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। ভারতে
বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানিতে সূচনা হবে নতুন যুগের।
ভারতের মনিপুর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলে ৭ জানুয়ারি হয়েছে নর্থ ইস্ট আসিয়ান বিজনেস সামিট। ২০ দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এ বাণিজ্য সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সম্মেলন শেষে মনিপুর চেম্বারের সঙ্গে এফবিসিসিআই এর চুক্তিও স্বাক্ষর হয়।
বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী দেখা করেন মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ও ইবোবি সিংয়ের সঙ্গে। বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানিসহ ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে মনিপুরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।
ঢাকায় ফিরে তোফায়েল আহমেদ নর্থ-ইস্ট আসিয়ান বিজনেস সামিট এবং মনিপুর সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানান। সব কিছু শুনে এ ব্যপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্যমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে আসার জন্য ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানানো হয়েছে। এবং প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন তাকে যেনো আমরা দাওয়াত করি বাংলাদেশ সফরের জন্য। কিছুদিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিমন্ত্রণ পাঠাবো এবং তিনি একটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকা সফরে আসবেন। তাদের ব্যবসায়ী দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়ী দল মিলিত হবে। আর এর মাধ্যমে মনিপুরে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল সম্ভবনা সৃষ্টি হবে।
শুধু মনিপুর নয় উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যবসা বাড়াতে আশাবাদী সরকার মন্তব্য বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মনিপুর বাজার কিন্তু ইচ্ছা করলে বাংলাদেশ দখল করতে পারে। কারণ যোগাযোগ সংযোগ স্থাপন হওয়ার কারণে পণ্যবাহী কার্গো সরাসরি মনিপুরে যেতে পারবে। এছাড়া আমাদের পণ্যবাহী কার্গো আসাম, মেঘালয় যেতে পারবে।
অবশ্য সবাই মনে করছেন, এ রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানিতে সব চেয়ে বড় প্রয়োজন অবকাঠামো বাড়িয়ে কানেকটিভি উন্নত করা।










