বাঁশির সাথে জাদুর একটি নিবির সম্পর্ক। কারণ বাঁশির সুর মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে। মুহূর্তেই ঘোর তৈরি করে ফেলতে পারার ক্ষমতা আর কোনো যন্ত্র সংগীতে ততোটা নেই, যতোটা আছে বাঁশিতে। রূপকথার হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার কথা কারো অজানা নয়। তেমনি বেঙ্গল শাস্ত্রীয় সংগীত উৎসবের তৃতীয় দিনের মধ্যরাতে যেন তেমনি আচ্ছন্নতা তৈরি করলেন গাজী আব্দুল হাকিম।
বাঁশি মানেই ঘোর লাগা ব্যাপার। আর বাঁশি ও তানপুরায় মিলে এক মোহাচ্ছন্নতা তৈরি করলেন গাজী আব্দুল হাকিম। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর আবাহনী মাঠে এমন মায়াবী পরিবেশ ছুঁয়ে গেল হাজারো মানুষকে।
গাজী আব্দুল হাকিমের বাঁশির সঙ্গে এসময় তবলায় ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ চ্যাটার্জী, তানপুরায় সামিন ইয়াসার এবং এসএম আশিক আলভি।
দলগত সেতার বাদনের মধ্য দিয়ে ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের তৃতীয় দিনের আয়োজন শুরু হয়। এরপর ঘাটম ও কঞ্জিরার যুগলবন্দী নিয়ে মঞ্চে আসেন পিতা-পুত্র বিদ্বান ভিক্ষু বিনায়ক রাম ও সেলভাগনেশ বিনায়ক রাম। তাদের সঙ্গে কাঞ্জিরা ও কোনাক্কল বাজিয়েছেন স্বামীনাথন এবং মোরসিংয়ে ছিলেন এ. গনেশন। এরপর সরকারী সংগীত কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকের আঠারো জনের দলটি খেয়াল পরিবেশন করেন। এবং বাঁশির আগে সরোদে দর্শক শ্রোতার মন জয় করে নেন আবির হোসেন।
স্কয়ার নিবেদিত ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭’ এর অনুষ্ঠান প্রচার সহযোগী চ্যানেল আই।
ছবি: তানভীর আশিক









