সাম্প্রতিক সময়ে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার এবং গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করা
মানুষদের হত্যায় যেভাবে জড়াল বা লক্ষণীয়
প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজাউল করিম
সিদ্দিকীকে হত্যার পর শিক্ষক সমাজে তা পরিলক্ষিত হয়নি বলে ক্ষোভ জানিয়েছেন
কাবেরি গায়েন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবিদকতা বিভাগের এই
অধ্যাপক দলীয় রাজনীতির কাছে নীতি-বিবেকের গ্লানিকর নতিস্বীকারে অপমানিত বোধ
করছেন বলেও ফেসবুকে জানান।
ব্লগার হত্যায় প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে কাবেরি গায়েন লিখেন, আমাদের ব্লগাররা যখন খুন হলেন, তখন সব ব্লগার এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেখানে আমার মতো অ-ব্লগারও সামিল হয়েছে। দেশি-বিদেশি ব্লগাররা হুমকির মুখে থাকা ব্লগারদের নিরাপদে বিদেশে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করেছেন। আবেদন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশে যেনো তাদের বিদেশে আশ্রয় দেয়া হয়। এমনই হবার কথা।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার প্রটোকল অফিসার ও ইউএসএইড-এর কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু তন্ময় হত্যার পর তাদের সমগোত্রীয়-সমমনারাও একই ভাবে নিন্দা-প্রতিবাদ করছেন জানিয়ে তিনি লিখেন, আজ যখন জুলহাস মান্নান খুন হলেন, সারা পৃথিবী থেকে যতো এলজিবিটি সমর্থক আছেন, সবাই নিন্দা আর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এমনকি বাংলাদেশে যারা এলজিবিটি আন্দোলনে জড়িত, তাদের দেশের বাইরে নিয়ে যাবার জোর দাবি জানাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে। এটিই তো হবার কথা। মাহবুব তন্ময় নাটকের মানুষ। তার জন্য দাঁড়াচ্ছেন নাট্যকর্মীরা। দেখে ভালো লাগলো।”
অথচ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হত্যার পর তেমন প্রতিক্রিয়া হয়নি মন্তব্য করে তিনি লিখেন, কিন্তু অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকী খুন হলেন। এক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোন সাড়া পড়েনি। শিক্ষক ফেডারেশন আছে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একদিন এক ঘণ্টার জন্য একসাথে দাঁড়ানোর কোন কর্মসূচি নিতে পারলেন না। কারণ কী? আমরা কি আমাদের বিবেক আর মস্তিষ্ক এতোটাই বন্ধক রেখেছি দলীয় রাজনীতির কাছে? ক্ষমতার কাছে?
“ভীষণ লজ্জিত, অপমানিত আর পরাস্ত বোধ করছি।”










