ব্রিটেনের জনগণ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে সরে আসার পক্ষেই ভোট দেওয়ার পর বিশ্ব শেয়ার ও মুদ্রা বাজারে রীতিমতো ঝড় শুরু হয়েছে। ঐতিহাসিক গণভোটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের একতায় ফাটল ধরার পর সঙ্গে সঙ্গে উত্তাল হয়ে ওঠে বিভিন্ন দেশের শেয়ার বাজার।
গণভোটের জেরে তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
দরপতন হয়েছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ জার্মানি শেয়ার বাজারে। তবে শেয়ারের দর কি পরিমাণ পড়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি জার্মান স্টক এক্সচেঞ্জ।
ব্রিটেনের গণভোটের জেরে টালমাতাল অবস্থা চীন, জাপান, ভারত ও পাকিস্তানসহ এশিয়ার শেয়ার বাজারে।
ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার আভাস পাওয়ার পরপরই বিশ্ব আর্থিক বাজারে শেয়ারের দাম ৪৮ দশমিক ২ থেকে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে গেছে। ২০০৮ সালের ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকটের পর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে শেয়ার দাম পড়ার রেকর্ড এটি। এদিন বিশ্বব্যাপী শেয়ারের ইন্টারেস্ট দাঁড়িয়েছে শূণ্যের কোটায়।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে। ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের দর ১০ শতাংশ কমে গেছে; যা ১৯৮৫ সালের পর সর্বোচ্চ।
ব্রিটিশ পাউন্ডের মতো দরপতন ঘটেছে ইউরো মুদ্রায়ও। ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতন হয়েছে ৩ শতাংশ। ইউরোপিয়ান শেয়ারের দাম দাম পড়েছে সাড়ে সাত শতাংশ। মন্দার সাথে অস্থির হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজারও।










