মেয়েদের শিক্ষা এবং কর্মমূখী প্রশিক্ষণ দেয়া গেলে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনা সম্ভব। স্বাস্থ্য এবং উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা দি পপুলেশন কাউন্সিলের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাল্যবিবাহের অভিশাপ মুক্তির এই উপায় বের তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশের ৯ হাজার মেয়ের ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায়, লেখাপড়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা তৈরি করে দেয়ায় মেয়েদের বাল্যবিবাহের হার ৩১ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এই মেয়েদেরকেই আবার যখন হাতে-কলমে কাজ শেখানো হয়েছে তখন বাল্যবিবাহের হার কমে দাড়িয়েছে ২৩ শতাংশে।
দি পপুলেশন কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান ব্লেন বলেন,‘ বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করার কোনো দৃশ্যমান উপায় এতোদিন ছিলো না। এই গবেষণা ফলাফল বাল্যবিবাহ ঠেকানোর পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ’।
সংস্থাটির হিসেবে দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোয় প্রতি ৩ জন মেয়ের মধ্যে ২ জনকে বাল্যবিবাহের বলি হতে হয়। ইউনিসেফ’র ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বাল্যবিবাহের হার বিবেচনায় বিশ্বতালিকার প্রথমে আছে আফ্রিকার দেশ নাইজার এবং এর ঠিক পরেই বাংলাদেশ।
তবে বিশ্বজুড়েই মেয়ে শিশুদের বাল্যবিবাহ দেয়ার প্রবণতার আশঙ্কাজনক দিকটি তুলে ধরে ইউনিসেফ বলছে,‘ ১৮তম জন্মদিন পালনের আগেই বিশ্বের ৭০ কোটিরও বেশি মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়’।







