রংপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র আরকে রোডের পরিচিতি এখন অভিজাত এলাকা হিসেবে। সেখানেই ব্যাংকার উসমান আলীর চারতলা ভবনের ছাদে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট ছাদকৃষি। ছাদের আয়তন এক হাজার ৯শ ফিট। সেখানে গত তিন বছর ধরে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন গাছ। ফুল-ফলের গাছপালা শোভিত সেই ছাদ কৃষির উদ্যোক্তা গৃহকর্তী আলেয়া খাতুন।
আলেয়া খাতুন বলেন, ছাদটা যেহেতু ফাঁকা পরে আছে, তাই সেটাকে ব্যবহার করে যদি কিছু আসে তা আমার পরিবারের জন্য ও স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। এছাড়া কেউ যখন বেড়াতে আসে তখন তাকে যদি ফ্রেস কিছু দিতে পারি তা আমার জন্য খুবই আনন্দের। টাকা-পয়সা সব কিছু না, মন ভাল বা নিজেরা ভাল থাকা এটা আসলে বিশাল একটা ব্যাপার।
নতুন বিভাগীয় শহর রংপুরের বেশিরভাগ ছাদই এখনো খালি। পরিবেশ সুরক্ষা, পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা বা শখ পূরণ যেকোনো বিবেচনাতেই ছাদকৃষি বাড়ানো প্রয়োজন বলে জানান উদ্যোক্তা আলেয়া খাতুন।
তিনি বলেন, ঢাকা বা রংপুর শহর হোক আমরা যদি সেটা সবুজ করতে চাই, নিজেরা ভাল থাকতে চাই, নিরাপদ পরিবেশ চাই তাহলে ছাদটা সবার সবুজ করা উচিত।
যারা উদ্যোগ নেন তারা ঠিকই জানেন বসবাসের জায়গাটি নিজস্ব সৌন্দর্যে সাজানো অনন্য উপায় ছাদ কৃষি।
আলেয়া খাতুন বলেন, আমরা যদি নিজেরাই নিজেদের ছাদে বাগান করি তাহলে সেই বাসার লোকগুলো ভাল থাকতে পারবে।
একটি সুন্দর ও পরিকল্পিত বাসভবন ততক্ষণ পর্যন্ত অপূর্ণ থেকে যায় যতক্ষণ না ছাদটি পরিপূর্ণ হয়ে উঠে গাছ-গাছালি, ফল-মূল ও লতাপাতার বাহারি শোভায়।










