এইচএসসিতে ভালো ফল করা রাজধানীর কলেজগুলেতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা মেতেছিলেন আনন্দ উৎসবে, যোগ দেন শিক্ষকরাও। এবার ভর্তিযুদ্ধে শুধুমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের যে সুযোগ তাকে কাজে লাগাতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ তাদের।
রাজধানীর ভিকারুনন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষার্থী ছিলো ১৫৬৮ জন। গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে পাশের হার ৯৯.৪৩।
শিক্ষার্থীরা জানালেন, ভালো ফলাফলের পরে তারা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে দেশের সেবা করার জন্য। কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৪০ জন।
ভিকারুনন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সুফিয়া খাতুন বলেন, শুধু ভাল ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীরা যেন পরবর্তীতে নিজেদেরকে দেশের জন্য সমাজের জন্য বিকশিত করতে পারে, এ লক্ষ্যে আগামী দিনের পথ চলতে হবে। 
ফল প্রকাশের পর নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীরাও মেতেছিলো আনন্দ উদযাপনে।
আনন্দঘন মুর্হুতে শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ফলাফল অনেক ভাল হয়েছে, এ ফলাফল নিয়ে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় আরও ভাল কিছু করবে।
একই চিত্র ছিলো রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়ালে।
শিক্ষার্থীরা জানান, এ ফলাফলে শিক্ষক অভিভাবক সবার অবদান রয়েছে। অভিভাবকরা জানালেন, সন্তানদের ভাল ফলাফলে তারা অনেক গর্বিত।
পাশ করা শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ আছে শিক্ষকদের। 
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর শাহান আরা বেগম বলেন, যারা জিপিএ পাঁচ পেয়েছে, আরা যারা অল্পের জন্য পায়নি। তাদের কিন্তু পাথর্ক্য খুব বেশি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।
রাজধানীর বিখ্যাত কলেজগুলোতে পাশের হার প্রায় ৯৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী।










