পিরোজপুরের কাউখালীর প্রতিবন্ধী স্কুলে জমি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। স্কুল ঘরটিও সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয় এক উদ্যোক্তা জেলার প্রতিবন্ধীদের জন্য এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
কাউখালী প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, চ্যানেল আইতে সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন প্রতিবন্ধীদের সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়েছেন। তাদের পুর্নবাসনের জন্য তারা চেষ্টা করছেন। আমরা একটি জায়গা পেয়েছি স্কুলের জন্য। উপজেলা প্রশাসন অস্থায়ী ভিত্তিতে আবাসন চরে আমাকে একটি ঘর দিয়েছেন।
একই সঙ্গে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তর কারণে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হলো। ভালো পরিবেশে শিক্ষা পাবে প্রতিবন্ধী শিশুরা।
কাউখালী উপজেলার ২ নম্বর আমড়াঝুড়ি ইউনিয়ন। সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা এই আবাসন প্রকল্পে বসবাস করে স্থানীয় সুবিধা-বঞ্চিতরা। এই প্রকল্পেই থাকেন একই পরিবারের স্বামীসহ ৫ জন বাকপ্রতিবন্ধী। এই পরিবারে মা মঞ্চিলা ছাড়া আর কেউই কথা বলতে পারে না। এর বাইরেও আরো ১০ জন প্রতিবন্ধী আছে এখানে।
এসব প্রতিবন্ধীদের কথা চিন্তা করেই স্থানীয় উদ্যোক্ততা আব্দুল লতিফ খসরু প্রতিষ্ঠা করেন কাউখালী প্রতিবন্ধী স্কুল। শিক্ষার্থীদের সব খরচ বহন করেন তিনি নিজেই। গত বছর চ্যানেল আইতে এই সংবাদ প্রচারের পর স্থানীয় প্রশাসন প্রতিবন্ধী স্কুলটি পরিচালনার জন্য স্কুলের নামে জমি দান করে।










