চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রচলিত ভ্যাকসিন ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও কাজ করতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনাভাইরাসের প্রচলিত ভ্যাকসিন ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রন মোকাবিলার ক্ষমতা আছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি বলছে, ওমিক্রনে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারে এসব ভ্যাকসিন।

সাউথ আফ্রিকায় পাওয়া করোনার নতুন এ ধরনটি শনাক্ত হওয়ার পর জানানো হয়েছে, ফাইজারের ভ্যাকসিন একে আংশিক মোকাবিলা করতে পারে।

গবেষকরা বলেছেন, ভ্যাকসিনের এন্টিবায়োটিক নতুন ধরনের স্ট্রেইনকে নিস্ক্রিয় করার ক্ষমতা রাখে। পরবর্তীতে আরও তথ্যের আলোকে ফাইজারের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার আলোকে বিস্তারিত ধারণা অর্জন করা সম্ভব বলে জানান বিজ্ঞানীরা।

বিবিসি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালক (আপদকালীন বিভাগ) ড. মাইক রায়ান সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, অন্যান্য ধরনের তুলনায় ওমিক্রন ধরনে ভ্যাকসিন প্রয়োগ ছাড়া উন্নতির কোনো লক্ষণ নেই।

তার মতে, আমাদের অত্যন্ত কার্যকর ভ্যাকসিন রয়েছে। ফলে ভাইরাস আক্রান্তদের মারাত্মক অসুস্থ অবস্থা কিংবা হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তাকে কমিয়ে দিতে পারে। সুতরাং এটি ভাবার কোন সুযোগই নেই যে, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনগুলো একই ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হবে।

বিজ্ঞাপন

ওমিক্রন ডেলটা বা অন্যান্য ধরনগুলো চেয়ে বেশি শক্তিশালী নয়। প্রাথমিক তথ্যের আলোকে এমন নির্দেশনার কথা জানান ড. মাইক।

সাউথ আফ্রিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনার মূল স্ট্রেইনের তুলনায় ওমিক্রন প্রতিরোধে ফাইজার এবং বায়োটেকের ভ্যাকসিন ৪০ শতাংশ কম কার্যকর।

দেশটির হেলথ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ভাইরোলজিস্ট প্রফেসর এলেক্স সিজাল বলেন, ভ্যাকসিনের এন্টিবায়োটিক থেকে ওমিক্রন ভাইরাসের টিকে থাকার সক্ষমতা আংশিক।

ওই ফলাফল ১২ জনের রক্ত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বলে জানান তিনি। তার মতে, ওমিক্রন ঠেকাতে বুস্টার ডোজ প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ উপযোগিতা অর্জন করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, আগে যেসব সংক্রামকের ভ্যাকসিন কিংবা বুস্টার ডোজ এসেছে পরবর্তীতে সেসব রোগ মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরি হয়েছিল মানুষের মধ্যে।

তবে ওমিক্রন প্রতিরোধের কার্যকারিতা বিষয়ে মডার্না, জনসন এন্ড জনসনসহ করোনার অন্যান্য ভ্যাকসিন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য জানা যায় নি।

বিজ্ঞাপন