রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় যুবলীগ নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। পাহাড়িদের দুই শতাধিক বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লংগদু সদরের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে চার কিলো এলাকা থেকে নুরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লংগদু বাইচ্চাপাড়া এলাকায় তার লাশ আনা হয়। তিনি উপজেলা সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাড়ি লংগদু উপজেলা সদরে। তিনি ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালাতেন।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল দু’জন পাহাড়ি নুরুল ইসলামের মোটরসাইকেল ভাড়া করেন। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, পাহাড়িরা নুরুল ইসলামকে হত্যা করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা শাখার জনসংহতি সমিতির সভাপতি মনি শংকর চাকমা বলেন, পাহাড়িদের দায়ী করে আজ শুক্রবার সকালে বাঙালিরা তিন টিলা ও মানিকজোর ছড়া গ্রামে পাহাড়িদের দুই শতাধিক বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছেন।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা লংগদুর ইউএনও মো. তাজুল ইসলাম বলেন, লংগদুতে পাহাড়ি-বাঙালির মধ্যে সমস্যা হওয়ার কারণে সদরের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।






