জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নাজিমুদ্দিন বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের সিলেট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন।
নিহত নাজিমুদ্দিন সামাদ (২৬) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন ছাত্র ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাজিমুদ্দিন সামাদের ওপর আক্রমণের সময় তার সঙ্গে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাউথ ইস্টের শিক্ষার্থী নাজিবের ওপরও আক্রমণ হয়। সৌভাগ্যক্রমে নাজিব বেঁচে যান।
লক্ষীবাজারের কাছের একটি মেসে থাকতেন নাজিম। রাতে আরও তিন বন্ধুকে নিয়ে ভিক্টোরিয়া পার্কের উদ্দেশ্যে বের হলে ঋষিকেশ দাশ লেনে অজ্ঞাত যুবকরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এরপর খুব কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিও করে তারা। হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।
ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি বলে সূত্রাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে।
ওয়ারি অপরাধ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ও পূর্ব শত্রুতার জেরে হতে পারে।
নাজিমুদ্দিন সামাদ সর্বশেষ মঙ্গলবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন: সরকার, এবার একটু নড়েচড়ে বসো বাবা। দেশের যা অবস্থা, আইন-শৃঙ্খলার যা অবনতি তাতে গদিতে বেশিদিন থাকা সম্ভব হবে না। জনরোষ বলে একটা কথা আছে। এটার চূড়ান্ত পরিণতি দেখতে না চাইলে এক্ষুণি কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। নতুবা দিন ফুরিয়ে আসবে দ্রুত।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এমন পোস্টের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেই নিহত হলেন নাজিমুদ্দিন সামাদ।










