ভাগ্যদেবী ছিলেন মাহমুদউল্লাহ খুলনা টাইটান্সের সঙ্গে, তা না হলে প্রথম ম্যাচে তিন রানের জয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে আবার চার রানের জয়ের দেখা পায় কীভাবে? আসলে সবই নির্ভর করেছে মাহমুদউল্লাহর ওপর।
পুঁজি ছিল মাত্র ১২৭ রান, টি-২০তে যা বেমানান একটি স্কোর, অথচ সেই সল্প পুঁজি নিয়েই লড়াই করে জিতল খুলনা টাইটান্স। অসাধারণ অধিনায়কত্ব আর পেশাদারিত্ব মনোভাব দেখিয়ে চিটাগংকে ৪ রানে হারাল মাহমুদউল্লাহর খুলনা টাইটান্স। তামিমের চিটাগাং নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেটে সংগ্রহ করে ১২৩ রান।
জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে চিটাগংয়ের দরকার ছিল ১৭ রান আর খুলনার প্রয়োজন ছিল ৪ উইকেটের।
১৯তম ওভারে করতে আসা জুনায়েদকে প্রথম বলেই ছ্ক্কা হাঁকান মোহাম্মদ নবী। এই ওভার থেকে আসে ১১ রান।
শেষ ওভারে চিটাগংয়ের জয়ের জন্য দরকার ছিলো মাত্র ৬ রান। আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক মাহমুদউল্লাহর প্রথম বলে নবী সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক দেন চতুরাঙ্গ ডি সিলভাকে। কিন্তু রিয়াদের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন চতুরাঙ্গ(১৯)। ওভারের তৃতীয় বলে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন নাকোচ করে দেন আম্পায়ার। ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন আব্দুল রাজ্জাক। দুই বলে চিটাগংয়ের দরকার ছিল পাঁচ রানের। পঞ্চম বল থেকে কোন রান নিতে পারে নাই মোহাম্মদ নবী।আর শেষ বলে বিগ হিট করতে গিয়ে মিউ উইকেটে আউট হয় নবী(৩৯)।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৯ রানে কুপারের বলে শফিউলকে মিডঅনে ক্যাচ প্রাকটিস করান তামিম ইকবাল (৩)।
দলীয় ২০ রানের মাথায় আবারো আঘাত আনেন কুপার। এবার মিডঅফে জুনায়েদ খানের কাছে তালুবন্দি করে ডুয়াইন স্মিথকে (৩) সাজঘরে ফেরত পাঠান তিনি।
এরপরের গল্পটা শুধুই পেসার শফিউল ইসলামের। মূলত তিনিই চিটাগংয়ের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দিয়েছেন।
দলীয় অষ্টম ওভারে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলান শোয়েব মালিককে(৪)।নিজের দ্বিতীয় ওভারে আবারো এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন আনামুল বিজয়কে (১৪)।
নিজের তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে শফিউল তুলে নেন জাকির (৮) ও জহিরুল অমিকে(২৫)।
এরআগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে খুলনা টাইটান্স সংগ্রহ করে ১২৭ রান।









