রাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার যাত্রায় নামবে আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের একমাত্র অধিনায়ক হতে পারেন লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ারে সব ছুঁয়ে ফেললেও বাকি কেবল একটা জিনিস, বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট। এবার এটাও জেতার সুযোগ আছে, কাইলিয়ান এমবাপের চেয়ে কেবল দুই গোল পিছিয়ে তিনি। তবে শুধু দুই গোল করলেই হবে, জেনে নেয়া যাক সমীকরণ।
গোল্ডেন বুট সেই খেলোয়াড়কে দেয়া হয় যিনি কোন একটি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল করেন। যদিও বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পুরস্কারের গুরুত্ব দলীয় ট্রফির মতো ততটা নয়। মেসি বিশ্বকাপে কখনও গোল্ডেন বুট জেতেননি। কিন্তু দুবার গোল্ডেন বল জিতেছেন, যেটি কোন আসরের সেরা খেলোয়াড়কে দেয়া হয়।
কাতারে ২০২২ বিশ্বকাপে কাইলিয়ান এমবাপে মেসিকে টপকে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন। এমবাপেকে ছাড়িয়ে যেতে মেসির এবার প্রয়োজন দুটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট, অথবা তিনটি গোল। মিয়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে ফ্রান্স বিশ্বকাপ শেষ করেছে। ফরাসি তারকা জোড়া গোল করে চলতি আসরে গোলসংখ্যা ১০এ নিয়ে গেছেন।
মেসিকে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে হলে তিনটি গোল করতে হবে। রোববার স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ফাইনালে দুটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করলেও এমবাপের চেয়ে উপরে উঠে যাবেন তিনি।
যদি দুজনের গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে গোল্ডেন বুট সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়কে দেয়া হবে। ফিফার অফিসিয়াল গোল্ডেন বুট স্ট্যান্ডিং অনুযায়ী, বর্তমানে দুজনেরই চারটি করে অ্যাসিস্ট রয়েছে। যদি দুজনের অ্যাসিস্টের সংখ্যা সমান হয়, তবে পুরস্কারটি সেই খেলোয়াড়কে দেয়া হবে, যিনি সবচেয়ে কম মিনিট খেলেছেন। এমবাপে টুর্নামেন্ট জুড়ে ৭৬৯ মিনিট খেলেছেন, যেখানে মেসি খেলেছেন ৭১২ মিনিট।
যদি সব ঠিক থাকে এবং মেসি কোন চোটে না পড়েন, তাহলে মহাযজ্ঞের মহারণে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক সামনে থেকে পুরো ম্যাচ নেতৃত্ব দেবেন। সেক্ষেত্রে বলাই যায়, এমবাপের চেয়ে বেশি মিনিট খেলে বিশ্বকাপ শেষ করবেন এলএমটেন।
এছাড়াও বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এমবাপে, ২২টি। ২১টি গোলে দ্বিতীয়তে আছে মেসি।
নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মহাযজ্ঞের ফাইনালে একবারের বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের বিপক্ষে নামবে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।







