গাইবান্ধায় লাভজনক হয়ে উঠেছে মৌ চাষ

মৌ চাষে ভাগ্য ফিরেছে গাইবান্ধার অনেক চাষীর। শীতকালে সরিষা ক্ষেতের মনোরম দৃশ্যের সঙ্গে যোগ হয়েছে চাষীদের মধু সংগ্রহের তৎপরতা।
সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌ বাক্স বসিয়ে মধু আহরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৌ চাষী। মধু সংগ্রহ করে বাজারজাত করে ভালো দামও পাচ্ছেন তারা।
একজন মৌ চাষী বলেন, এর মাধ্যমে ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি আমাদের বেকার সমস্যাও দূর হচ্ছে।
আরেকজন চাষী বলেন, আমরা বছরে আট মাস মধু সংগ্রহ করতে পারি। এই আট মাসে আমরা যে লাভ পাই তা অনেক চাকরির চেয়েও ভালো।
মধু চাষে প্রশিক্ষণ ও নানা সহায়তা দিচ্ছে বিসিক। এ পর্যন্ত ৪০ জন মৌ চাষী প্রশিক্ষণ নিয়ে গড়ে তুলেছেন তার কর্মসংস্থান।
গাইবান্ধা বিসিকের এ জি এম মুশফিকুল ইসলাম বলেন, ২০১২ সালে যেখানে ২ মেট্রিকটন মধু উৎপাদন হতো সেখানে গত অর্থ বছরে ৭ মেট্রিকটন মধু উৎপাদিত হয়েছে। আশা করছি আগামী জুন পর্যন্ত এই লক্ষ্যমাত্রা ২০ মেট্রিকটন ছাড়িয়ে যাবে।
মধুভিত্তিক শিল্প কারখানা স্থাপন, মধু সংরক্ষণ এবং মৌ চাষীদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মধু রপ্তানীতে সরকারি উদ্যাগ দাবি করেছেন মৌ চাষীরা।






