কুমড়া চাষ করে ভাগ্য বদলেছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের শত শত দরিদ্র কৃষক। কম খরচে বেশী লাভ হওয়ায় ওই অঞ্চলে বাড়ছে কুমড়ার আবাদ। উন্নতজাতের এসব কুমড়া সরবরাহ হচ্ছে অন্যান্য অঞ্চলে।
কুলিয়াচরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ চরের মাঠে চোখে পড়ে হলুদ সবুজ মিষ্টি কুমড়ার সারি। কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে কুমড়া চাষ করেছেন কৃষক।
কৃষকরা জানান, কুমড়াসহ অন্যান্য সবজিতেও এখন কীটনাশক ব্যবহার হয় না। এমনকি লিচু বা অন্যান্য ফলেও না।
কুমড়া ক্ষেতে পোকা দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করছেন কৃষক। এতে ব্যয় কমলেও বাড়ছে ফলন। কৃষকের তিন থেকে চার গুণ লাভ থাকছে বলে জানাচ্ছে কৃষি বিভাগ।
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কৃষকরা এখন অনেক বেশি লাভবান হচ্ছে। কারণ কীটনাশকের ব্যবহারে আগে দশগুণ অর্থ খরচ হতো এখন সেটা হয় না। তাছাড়া এটা আমাদের পরিবেশকেও ভালো রাখে।
কুলিয়ারচরে এবার এক হাজার একর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ হয়েছে।






