‘দুইশ-আড়াইশ বছর আগে আমাদের মঞ্চ ছিল না। তখনো নাটক হয়েছে। এখন মঞ্চ নেই বলে উপজেলা পর্যায়ে নাট্যচর্চা কম। এই সমস্যা সমাধানে আমরা “স্বল্প ব্যয়ে নতুন স্থানে নতুন নাটক” পদ্ধতির সূচনা করছি। যাতে উপজেলা বা তার চেয়েও প্রত্যন্ত এলাকায় নাট্যচর্চা ছড়িয়ে পড়ে। এবারের সম্মেলনে এ দিকটায় বিশেষ জোর দিচ্ছি।’ বললেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়্যারম্যান ও ২২তম জাতীয় সম্মেলনের আহ্বায়ক লিকায়ত আলী লাকী। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা হলো তার সঙ্গে।
‘মানবের দেশ আমার, দানব নাহি রবে’ স্লোগানে ‘২২তম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৭’ শুরু হবে আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায়। বাংলাদেশ গ্রুপ থিযেটার ফেডারেশনের আয়োজনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশলায়।
আয়োজন নিয়ে লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘থিয়েটারকে আমরা সহজ জায়গায় নিয়ে যাব। পেশাভিত্তিক নাট্যচর্চার ক্ষেত্রটা তৈরির চেষ্টা করছি। থিয়েটারটাকে যেন পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া যায় সেই পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্য এবারের সম্মেলন। সরকারের কাছে এর প্রস্তাবনাও দেওয়া হয়েছে। পেশাভিত্তিক নাট্যচর্চার ক্ষেত্র প্রস্তুতের এই আন্দোলন এগিয়ে যাবে এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে।’
গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি ও সম্মেলনের সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান জানান, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্ আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ‘বর্তমান সময়ের আলোকে গ্রুপ থিয়েটার চর্চা’ বিষয়ক বক্তব্য রাখবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিদুল হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন রামেন্দু মজুমদার, আতাউস সামাদ, মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ ও সারা যাকের।
সম্মেলনে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ সারা দেশের ফেডারেশনভুক্ত নাট্যদলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
সম্মেলনের পরদিন শনিবার গাজীপুর জেলার হোতাপাড়ায় খতিব খামারবাড়িতে দিনব্যাপী থিয়েটার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ, সম্মেলনে উপস্থিত সকল প্রতিনিধি এবং নাট্যকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।








