ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার ম্যাকাইতে সিরিজের শেষ টেস্টের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের লক্ষ্য টাইগারদের।
ইনজুরির কারণে ডারউইন টেস্টে দলের বাইরে ছিলেন শরিফুল। তবে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত তিনি। সুযোগ পেলে ম্যাকাই টেস্টে একাদশে ফিরতে চান এই বাঁহাতি পেসার। জানালেন লক্ষ্যের কথা। তার ভাষ্য, ‘জিততে এসেছি, দেখা যাক কী হয়।’
বুধবার বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় শরিফুল জানান এমন। ডারউইন টেস্টে জয় নিয়ে বলেছেন, ‘আমার খুবই ভালো লেগেছে। এরকম একটা জয়ের অংশ হতে পেরে, ছবির ভেতর তো অন্তত আসছি (হাসি)। স্কোয়াডে না থাকলেও। খুবই ভালো লাগছে। চেষ্টা করব এটা ধরে রাখার। আমি সবসময়ই প্রস্তুত। দেখা যাক যদি রিজিকে থাকে ইনশাআল্লাহ (ম্যাচ খেলব)।’
ডারউইন টেস্টে খেলতে না পারাকে দুর্ভাগ্য হিসেবে দেখছেন না শরিফুল। তার মতে, ইনজুরির কারণে পাওয়া বিশ্রাম শরীরের জন্য বরং ভালো হয়েছে। বলেছেন, ‘না, আনলাকি না। যেটা হয় সেটা তো বলে-কয়ে হয় না। যেটা হয় আল্লাহ ভালোর জন্যই করে। ইনজুরির পর কিছুদিন বিশ্রাম পেয়েছি, রিহ্যাব করেছি। আমার মনে হয় শরীরের জন্য ভালো হয়েছে।’
ডারউইন থেকে ম্যাকাইয়ের দীর্ঘ ভ্রমণ নিয়েও কথা বলেছেন শরিফুল। প্রায় ছয় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দলের লেগেছে ১৪ ঘণ্টা। তবে এর পেছনে মূল কারণ ছিল ফ্লাইট বিলম্ব। শরিফুল বলেন, ‘দীর্ঘ জার্নি বলব না। ফ্লাইট বিলম্ব হওয়ার কারণে আমাদের ট্রানজিট বড় হয়ে গিয়েছে।’
ম্যাকাইয়ের আবহাওয়াও বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন তিনি। ডারউইনের চেয়ে এখানে গরম কম হওয়ায় মানিয়ে নিতে সুবিধা হচ্ছে বলেও জানান এই পেসার।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে। সতীর্থদের এমন সাফল্যে খুশি শরিফুল। তবে তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স। বলেছেন, ‘অবশ্যই, পেসাররা ভালো করলে ভালো লাগে। বাংলাদেশ যখন ভালো করে, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং-তিন বিভাগেই যখন ভালো করে তখন আরও বেশি ভালো লাগে। ইউনিট হিসেবে পারফর্ম করলেই কিন্তু আমরা জয়টা ছিনিয়ে আনতে পারি।’
ডারউইনের জয়ের পর এখন ম্যাকাইতেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ। শরিফুলের কণ্ঠে, জিততে এসেছি, দেখা যাক কী হয়।’










