এবার চলচ্চিত্র-টেলিভিশন ঐক্যজোট গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই প্লাটফর্ম থেকে চলচ্চিত্র ও নাটকের সব সমস্যা দূর করা হবে। আর এই লক্ষ্য নিয়ে টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন, ডিরেক্টর’স গিল্ড ও অভিনয় শিল্পী সংঘের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এফডিসির জহির রায়হান ভিআইপি মিলনায়তনে এক যৌথ মতবিনিময় সভা করেছে চলচ্চিত্রের ১৬টি সংগঠন নিয়ে গঠিত চলচ্চিত্র পরিবার। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরেণ্য চিত্রনায়ক ও চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক ফারুক।
আজ এই সভায় প্রাথমিকভাবে একটি ঐক্যজোট গঠনের আলোচনা হয়েছে। নাম হবে ‘চলচ্চিত্র-টেলিভিশন ঐক্যজোট’।
এখানে বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইরেশ যাকের, ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি গাজী রাকায়েত ও সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলীক, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহিদুল আলম সাচ্চু, চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোহাম্মদ হোসেন জেমি, চিত্রনায়ক রিয়াজ, মামুনুর রশীদ প্রমুখ।
খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘টিভি মিডিয়া আর চলচ্চিত্রের সমস্যা প্রায় একই। বিদেশি সিরিয়াল এনে ডাব করে টিভি চ্যানেলে চালানো হয়, অন্যদিকে যৌথ প্রযোজনার নামে ভারতীয় সিনেমা এনে আমাদের সিনেমা শিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে। যেহেতু সমস্যা এক, তাই আমরা একসঙ্গেই যুদ্ধ করব।’
মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘আমাদের সিনেমা এখন এক মহাসঙ্কটে পড়েছে। এ অবস্থায় ডিরেক্টরস গিল্ডসহ নাটকের অন্যান্য সংগঠন আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।’
চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘আমাদের সিনেমার ওপর থেকে যতদিন বেনিয়াদের কালো থাবা না সরাতে পারব, ততদিন রাজপথ ছাড়বো না।’
ইরেশ যাকের বলেন, ‘আমাদের দুই পক্ষের সমস্যা একই। এটা রোধ করতে কিছুটা কৌশলী হতে হবে। বদলাতে হবে আমাদেরও। আমাদের সিনেমার মানেরও পরিবর্তন করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে ভাবতে হবে। একটা জায়গায় বসে থাকলে হবে না। মানের দিক থেকেও এগিয়ে যেতে হবে। তা না হলে নাটক বলেন সিনেমা বলেন কিছুই বাঁচাতে পারব না।’










