আবাহনীতে বিদেশি কোচ এলেই তিনি হয়ে যেতেন সহকারী। তাতে তার এতটুকু কষ্ট লাগতো না। হাসিমুখে বলতেন, ‘আবাহনী ক্লাবই আমার সব। এখানে থাকতে পারলেই ভালো লাগে।’ দেশের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব আবাহনীকে নিয়ে আর ওই ভালো লাগার কথা বলবেন না অমলেশ সেন। ফুটবলের মায়া ত্যাগ করে শনিবার পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন!
১৯৭২ সালে মোহামেডানের বিপক্ষে আবাহনীর প্রথম গোলটি করেছিলেন অমলেশ। নব্বইয়ের পর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কিছু সময় বাদ দিলে আবাহনীর খেলোয়াড়-কোচ হয়েই কাটিয়ে দেন জীবনটা। খেলোয়াড় হিসেবে আবাহনীর জন্মের পর ’৭২ থেকে ’৮৩ পর্যন্ত এই দলে খেলেছেন।
জন্ম বগুড়ায়। ২ মার্চ ১৯৪৩ সালে। বগুড়ার আলতাফুন্নেসা মাঠেই তার ফুটবলের হাতেখড়ি। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের সঙ্গে সখ্যতা। তৎকালীন বাইটন ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু। বগুড়ায় খেলেন পাঁচ বছর। তারপর পাড়ি জমান রাজধানীতে। ঢাকায় খেলেন ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস আর ইস্টএন্ডের হয়ে।
১৯৭০ সালে যোগ দেন ঢাকা মোহামেডানে। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য ছিলেন অমলেশ সেন। ১৯৭২ সালে যোগ দেন ঢাকা আবাহনীতে। সেই থেকে টানা ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন তার প্রিয় দলেই। অবসর গ্রহণের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আবাহনীর সঙ্গেই নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। অনেক আগেই তার নাম হয়ে গেছে ‘আবাহনীর অমলেশ’।








