ক্রিকেট

ব্যাটিং পজিশনটা শেষঅবধি খুঁজে পাচ্ছেন মিরাজ?

ব্যাটিং পজিশনটা শেষঅবধি খুঁজে পাচ্ছেন মিরাজ?

ওয়ানডেতে অনেক পজিশনে খেলার অভিজ্ঞতা আছে মেহেদী হাসান মিরাজের। টপঅর্ডার, মিডল এবং লোয়ারঅর্ডার- সবখানেই ব্যাট করেছেন তারকা অলরাউন্ডার। ব্যাটিং অর্ডারে এখনও থিতু হতে পারেননি কোথাও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে তার ব্যাটিং অর্ডার নির্দিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে। টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক সাত নম্বরে ব্যাট করাটা নিজের এবং দলের জন্য প্রয়োজন মনে করছেন।

বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নামবে বাংলাদেশ। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে গড়াবে লড়াই। খেলা সরাসরি দেখাবে ডিজিটাল প্লাটফর্ম আইস্ক্রিন, ধারাভাষ্য শোনা যাবে রেডিও ভূমিতে। আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে এসে অর্ডার নিয়ে জানালেন মিরাজ।

বলেছেন, ‘বাংলাদেশ দলে প্রত্যেক পজিশনেই ব্যাটিং করেছি এবং এটা নিজেও উপলব্ধি করেছি যে, আমার ব্যাটিং কোন জায়গায় সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হবে দলের জন্য এবং ফল আসবে। যেহেতু একটা অভিজ্ঞতা আছে, প্রায় আট-নয় বছর একই পজিশনে খেলেছি, আট নম্বরে ব্যাটিং করেছি। ওখানে অনেক ম্যাচে বোলারদের সাথে লিড দিয়েছি এবং ম্যাচও জিতিয়েছি, এরকম অনেক ইনিংস আছে।’

‘সেজন্য চিন্তা করেছি, যেহেতু অভিজ্ঞতাটা আছে বোলারদের সাথে খেলার, যদি সাত নম্বরে ব্যাটিং করি এটা আমার জন্য, টিমের অনেক উপকার হবে। কারণ টপঅর্ডারেও ব্যাটিং করেছি অনেক। হয়ত অনেক স্কোর পেয়েছি, অনেক সময় বাংলাদেশ দল জেতেনি। মনে হয়, এটা অনেক একটা উপযুক্ত পজিশন আমার জন্য সাত নম্বরে এবং দলেরও অনেক উপকার হবে।’

জাতীয় দলে একেক সময় ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন হওয়ায় মনোযোগে বিঘ্ন ঘটত কিনা? মিরাজ বললেন, ‘দলের প্রয়োজনে বিভিন্ন পজিশনে খেলানো হয়েছে। দলের প্রয়োজনেই খেলেছি। যখন বলা হয়েছিল ওপেন করতে, উপরে ব্যাটিং করতে, তখন কিন্তু দলের অগ্রাধিকার ছিল। সেজন্য রাজি হয়েছি। নিজের চিন্তা করিনি। এখন দলের একটা ভারসাম্য তৈরি করতে হবে। কারণ সামনে বিশ্বকাপ আছে।’

‘এখন বেশিকিছু পরিবর্তন করতে চাচ্ছি না। একটা দল যখন গঠন করবেন, একটা পজিশনে একটা খেলোয়াড়কে বেশি সুযোগ দিলে, অভিজ্ঞতাটা হয়, একটা ভালো বোঝাপড়া হয়। সেভাবে চেষ্টা করবো একটা বোঝাপড়া তৈরি করার জন্য এবং বেশিকিছু পরিবর্তন না করার জন্য।’

ব্যাটিং-বোলিংয়ে কোন বিভাগেই তেমন একটা ফর্মে নেই মিরাজ। জানালেন চিন্তিতও নন, ‘চিন্তিত না। শেষ যে সিরিজগুলো খেলেছি, ১৫ ওডিআই এর মতো খেলেছি সম্ভবত। অনেক বিরতি দিয়ে খেলেছি। মনে হয় যে সবার প্রত্যাশা যেরকম, আমার থেকে- অনেক ম্যাচ জেতাবো। মানুষের সবার প্রত্যাশা, সেটা হচ্ছে না। গড়পড়তা হচ্ছে। অবশ্যই চেষ্টা করবো, দলের জন্য, ম্যাচ জেতানোর জন্য।’

বিষয়:উইকেট পাকিস্তান বাংলাদেশ বিসিবি মিরপুর মিরাজ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…