সাভারের হেমায়েতপুরের শ্যামপুর এলাকায় একটি চারতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে ৯টি বিস্ফোরক ও বিপুল পরিমাণ গান পাউডারসহ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে সাভার থানা ও পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এ ঘটনায় এর আগে ৫টি বিস্ফোরকসহ আরিফ হোসেন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ওই বাড়িতে পুলিশের অভিযান শেষ হয়। পরে ভোর ৪টার দিকে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আরিফ হোসেনকে কিশোরগঞ্জ থেকে অনুসরণ করছিলেন। পরে তিনি সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় একটি বাস থেকে নামলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে পাঁচটি বিস্ফোরক, একটি চাকু ও একটি লাইটার উদ্ধার করা হয়।
আটকের পর আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর প্রাইমারি স্কুলের পেছনে আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন একটি বাড়ি ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেখানে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালান।
বুধবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান শেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযান শেষে ওই বাড়ি থেকে ৯টি বিস্ফোরক, বিপুল পরিমাণ গান পাউডার ও বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, ‘হেমায়েতপুর থেকে এক ব্যক্তিকে পাঁচটি বিস্ফোরকসহ আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই বাড়ি ঘিরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সামগ্রী ও নয়টি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আটক আরিফ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও সামগ্রীর ধরন এবং এগুলো কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।








