হিটস্ট্রোক এখন হার্টঅ্যাটাকের মতোই এক বিভীষিকার নাম। বাড়তি তাপমাত্রার কারণে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ছে। এই হিটস্ট্রোক থেকে নিজেকে রক্ষার কিছু উপায় রয়েছে। সচেতনতাই পারে নিজেকে রক্ষা করতে।
কিছু টিপস মেনে চললে এই সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।
# গরমে সবসময় সুতির পোশাক ব্যবহার করুন। পাতলা ঢিলেঢালা সুতি কাপড়ই ভালো গরমের জন্য।
# পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। তাহলে শরীর যেমন প্রয়োজনীয় ঘাম তৈরি করতে পারবে তেমনই শরীরে পানির ভারসাম্যও ঠিক থাকবে।
# যেকোন রক্তচাপ বা হার্টের ওষুধ খাওয়ার আগে ভালো করে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন। এসব ওষুধ রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। তাই হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
# শারীরিক সমস্যা যেমন ক্লান্তি, অবসাদ, বমি বমি ভাব বা শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
# সকাল বেলা হাঁটতে যাওয়ার সময়টা এগিয়ে নিন। দিনের বেলায় কোনো ব্যয়াম করবেন না। আর চেষ্টা করুন ব্যয়ামের মাঝে মাঝে বিরতি নিতে এবং তরল পানীয় পান করতে।
# দিনের সবচেয়ে গরম অংশটুকু এড়িয়ে চলুন। চেষ্টা করুন এই সময়ে ঘরের বাইরে না বেরোতে। আর ক্যাফেইনযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলুন। যদি সেটা সম্ভব না হয় তাহলে বারবার কোনো পানীয় পান করুন এবং ঠান্ডা জায়গায় কিছুক্ষণ পরপর বিশ্রাম নিন।
# সূর্যের তাপে যদি আপনার ত্বক পুড়ে যায় তাহলে সেটা শরীরকে আর ঠান্ডা করতে পারে না। চেষ্টা করুন ত্বকটাকে বাঁচাতে। বড় কোনো হ্যাট এবং সানগ্লাস নিন বাইরে বের হওয়ার আগে।
# অনেকেই জরুরি কোনো কাজে যাওয়ার সময় বাচ্চাকে গাড়িতে রেখে যান। এই গরমের সময় এমনটা করবেন না। সূর্যের তাপে গাড়ির মধ্যে তাপমাত্রা আরো বেড়ে যায়। এর ফলে বাচ্চারা হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়।
# রোদ থেকে এসেই যেমন ঠান্ডা এসিতে ঢুকবেন না। তেমন এসি থেকে বেরিয়েই তীব্র রোদে যাবেন না। চেষ্টা করুন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আগে শরীর মানিয়ে নিতে।










